ওমর ফারুক
বিজয় কর রতন মিঠামইন (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:
মিঠামইন উপজেলার ৫ নং কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও আওয়ামিলীগের প্রভাবশালী নেতা আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে একই ইউনিয়নের সংখ্যা লুঘু সম্প্রদায়ের একমাএ মহিলা গ্রাম পুলিশ রুপালী রানী দাস চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ করেছেন উপজেলা নির্বাহী বরাবর।
বিগত ২০/৮/২০২৪ ইং তারিখে দায়েরকৃত অভিযোগে রুপালী দাস উল্লেখ করেছেন, দীর্ঘ দিন যাবৎ চেয়ারম্যান আবুল কাশেম বিভিন্ন সময় মৌখিক বিভিন্ন মাধ্যমে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছে।
তিনি কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়াই সে বিভিন্ন ভাবে তাকে মানসিক নির্যাতন করে আসছে। এমনকি তার প্রাপ্য বেতন ভাতা বন্ধ করে দেয়। বিগত একমাস পূর্বে একদিন রুপালীকে ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে নিয়ে বলে যে,আমার কুপ্রস্তাবে রাজি হলে তোমার কোনো সমস্যা হবে না।
চাকরি ও বেতন ভাতা সহ অন্যান্য সুবিধা সব পাবে। সে গ্রাম পুলিশের হাত ধরে টানাটানি করলে, বিষয়টি ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আলমগীর হোসেন এসে দেখে ফেলে এবং চেয়ারম্যান কে এ বিষয়ে বিরত থাকার কথা বলে। তাৎক্ষণিক সচিব এবং বাজারের লোকজন এ বিষয়ের নিদ্রা জানান।
বিষয়টি সরজমিনে জানার জন্য শনিবার ২৪ ই আগষ্ট রুপালী দাসের গ্রামের বাড়ি কেওয়ারজোড় গিয়ে গ্রামবাসীও বাজারের ব্যবসায়ী সহ ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের সাথে কথা হয়।বিভিন্ন জনের সাথে কথা বলে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়।
রুপালী দাস জানান,ঘটনার পর এব্যাপারে মিঠামইন থানায় অভিযোগ নিয়ে গেলে অভিযোগ খানা পুলিশ নেয়নি।তখন দেশের অবস্থা খারাপ ছিল ৫ তারিখের পর পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হলে ইউ,এন,ও স্যারের নিকট আবেদন করি। এর জন্য দেরি হয়েছে।
কেওয়ারজোড় ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে কথা হয় সচিব আলমগীরের সাথে, তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।এমনকি এর প্রতিবাদ করলে তার সাথে চেয়ারম্যান তর্কে বিতর্কে লিপ্ত হয়।
অভিযুক্ত চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের সাথে যোগাযোগ করা হলে, তিনি বলেন, এ ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা। রুপালী গ্রাম পুলিশের চাকরি নিয়ে গ্রামে বিভিন্ন লোককে হুমকি দেয় এবং মিথ্যা মামলা দায়ের করে। তার চরিত্র ভালো নয় তার সম্পর্কে এলাকায় খুঁজ নিয়ে দেখেন।
মিঠামইন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিস সূত্রে জানা যায় গ্রাম পুলিশ রুপালী দাস একটি আবেদন করেছেন। এবিষয়ে তাকে ডেকে বিষয়টি তদন্ত করবেন। ইউ,এন,ও স্যার বদলি জনিত কারণে এসিল্যান্ট দায়িত্বে রয়েছেন।

