মোঃ আছাদুজ্জামান
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আফজাল আকন নামের এক ইজিবাইক চালককে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে প্রতিপক্ষ শফিকুল ইসলাম ফরাজীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে ২ নভেম্বর শনিবার সকালে উপজেলার ধানীসাফা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড উদয়তরা বুড়িরচর গ্রামে। অভিযুক্ত শফিকুল ইসলাম ফরাজী উদয়তরা বুড়িরচর গ্রামের বাসিন্দা জলিল ফরাজীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উদয়তরা বুড়িরচর গ্রামের বাসিন্দা মৃত ইন্নাত আলী ফরাজীর ছেলে আঃ রশিদ ফরাজী সহ তার বংশের লোকজন একই এলাকার বাসিন্দা মৃত্যু হাতেম আলী আকনের ছেলে আফজাল আকনদের বাড়ির সামনের রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হয়। উক্ত রাস্তা দিয়ে আঃ রশিদ ফরাজি গরু নিয়ে চলাচল করতে গেলে প্রতিনিয়ত আফজাল আকন বাঁধা প্রদান করেন এবং আঃ রশিদ ফরাজীকে গালাগালি করেন। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে আঃ রশিদ ফরাজীর নাতি জলিল ফরাজীর ছেলে শফিকুল ইসলাম ফরাজীর বড় ভাই অসহায় ও নিরীহ ব্যক্তি রফিকুল ইসলাম ফরাজীকে গত ৮ মে ২৪ ইং তারিখ আফজাল আকন ও তার দলবল কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন এবং এবিষয়ে রফিকুল ইসলাম ফরাজীর বাবা জলিল ফরাজী বাদী হয়ে আফজাল আকন সহ ৫ জনকে আসামী করে মঠবাড়িয়া আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন বর্তমানে মামলাটি চলমান রয়েছে।
এদিকে বড় ভাইকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার বিষয়ে ছোট ভাই শফিকুল ইসলাম ফরাজী শনিবার সকালে স্থানীয় গ্রাম পুলিশের বাড়ির সামনে বসে কথার কাটাকাটি হয় আফজাল আকনের সাথে। এক পর্যায়ে আফজাল আকনকে শফিকুল ইসলাম কুপিয়ে আহত করেন। পরে স্থানীয়রা আহত আফজাল আকনকে উদ্ধার করে মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্যে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। বিষয়টি সম্পর্কে জানার জন্যে অভিযুক্ত শফিকুল ইসলাম ফরাজীর বাড়িতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে তার দাদা আঃ রশিদ ফরাজী বলেন আমার নিরীহ নাতি রফিকুল ইসলাম ফরাজীকে পঙ্গুত্ব করার কারনে ছোট নাতি শফিকুল ইসলাম ফরাজী এমন কাজ করতে পারে। তবে ঘটনার সময় আমি বাড়িতে ছিলাম না।

