মোঃ আব্দুল খালেক
রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

রৌমারীতে চাকুরী দেওয়ার নাম করে ৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে একটি চক্র। গতকাল বুধবার ১৩ নভেম্বর দুপুর ১২ ঘটিকায় রৌমারী উপজেলা প্রেসক্লাবে এক লিখিত অভিযোগে  যাদুরচর ইউনিয়নের বেকরীবিল গ্রামের মৃত্য হাসেন আলীর পুত্র আব্দুল আওয়াল(৫৫) জানান,  যাদুর চর ইউনিয়নের গোলাবাড়ি গ্রামের মৃত্য আনছের আলীর পুত্র ইমদাদুল হক(৪০) , আমার পুত্র মোঃ হারুন অর রশিদ (২০)  কে ফায়ার সার্ভিসে চাকুরী দেওয়ার জন্য আমার নিকট হতে ২০২০ সালে  ৫ লাখ ১০ হাজার  টাকা নেয়। টাকা নেওয়ার পর থেকে বারবার চাকুরীর জন্য তাগিদ দিলে দলীয় ভয়ভিতি দেখায়। যেহেতু এমদাদুল হক তথ কালীন সময় যাদুরচর ইউনিয়ন কৃষক লীগের  সভাপতি ও সাবেক গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রি জাকির হোসেনের ছত্রছায়ায়  নানা ধরনের চাকুরী বানিজ্য করে আসছিল । চাকুরী না দেওয়ায় বারবার টাকা ফেরত দেওয়ার  তাগিদ দিলে নানা অজুহাতে কালক্ষেপন করিতে থাকে। 

এব্যাপারে আব্দুল আউয়াল বলেন, ইমদাদুলের বাড়ি কর্তিমারী বাজার সংলগ্ন হওয়ায় আমাকে ভয়ভীতিসহ হত্যার হুমকি প্রদান করেন। ইহাতে আমি নিজেকে নিরাপত্তাহীনতায় অস্বস্থি অনুভব করি। যার পরিপেক্ষিতে বিগত সরকারের আমলে ৮ মাস পুর্বে থানায় অভিযোগ দিলেও তাহা গ্রহন করেননি। পরবর্তিতে ৫ আগষ্টের পর গণঅভুত্থানের পর  তিনি নিজের নিরাপত্তায় বাদী হয়ে রৌমারী থানায় ইমদাদুলের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এছাড়াও জীবনের নিরাপত্তাকে কেন্দ্র করে কুড়িগ্রাম নিম্ন আদালতে ইমদাদুলের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার জন্য একটি সাতধারা মামলা করেন। পরবর্তিতে আব্দুল আউয়াল বাদী হয়ে যাদুরচর গোলাবাড়ি গ্রামে মাতাব্বরদের নিকট সালিশ দায়ের করেন। পরবর্তী ইমদাদুল সালিশে হাজির না হয়ে নানা মিথ্যাচা র ও কুটকৌশল করে চলছে। 

এব্যাপারে আব্দুল আউয়াল, প্রতারক ইমদাদুলের নিকট হতে ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা আদায়ের লক্ষ্যে আইনি সহায়তা চেয়ে প্রশাসন ও সাংবাদিকের দ্বারস্থ হন। এনিয়ে বিবাদী ইমদাদুল হক বলেন, বিষয়টি নিয়ে আগামী ২১ নভেম্বর রৌমারী থানায় উভয় পক্ষের সাথে বৈঠক করা হবে বলে জানান। 

আব্দুল আউয়াল তার বক্তব্যে বলেন, আমি একজন গরীব কৃষক, সন্তানের চাকুরীর উদ্দেশ্যে দেওয়া টাকা ফেরত চেয়ে ন্যায় বিচার আশা করেন।