শাকিল আহমদ
আমদানি বাড়ার ফলে উপজেলার বাজারগুলোতে কমতে শুরু করেছে সব ধরনের শীতকালীন সবজির দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় সব রকমের সবজির দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে। শীতকালীন সব ধরণের সবজি একসাথে বাজারে আসছে। এ কারণে দাম কমা শুরু হয়েছে। দাম কমে যাওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে।
শনিবার(২৮ ডিসেম্বর)জেলার বড়লেখা উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, সব ধরণের সবজি আগের চেয়ে কেজি প্রতি দাম কমেছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। বাজারে এখন প্রতি কেজি নতুন আলু বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বেগুন ৪০ টাকা, শিম ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পটল ৪০ থেকে ৫০ টাকা, করলা, ৫০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৪০থেকে ৬০ টাকা, মূলা ১৫ টাকা, গাঁজর ৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা, টমেটো ৫০ থেকে ৬০ টাকা নতুন পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।এছাড়া ফুলকপি ১৫ থেকে ২০ টাকা কমে প্রতি পিস বিক্রি করতে দেখা যায়।বাধাকপি প্রতি পিস বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। এছাড়াও লেবুর হালি ২০ থেকে ৪০ টাকা, ধনে পাতা ৭০ থেকে ৯০ টাকা কেজি। কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। চাল কুমড়া প্রতিটি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, এবং মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা। বাজারগুলোতে লাল শাকের আঁটি ১০ টাকা। লাউ শাকের আঁটি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, মুলা শাক ১০ টাকা, পালং শাক ১০ টাকা, কলমি শাক ১০ টাকা, পুঁই শাক ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং ডাঁটা শাক ২০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে উপজেলার সবচেয়ে বড় সবজির মোকাম বড়লেখা রেলওয়ে মার্কেটে পাইকারি প্রতিটি সবজির দাম প্রতি মণে কমেছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়ছে। আগামী সপ্তাহে দাম আরও কমে আসবে। বড়লেখা বাজারের সবজিবিক্রেতা মো. বাহার উদ্দিন বলেন, বাজারে সবজির সরবরাহ বাড়ছে, আগামী সপ্তাহে সব ধরনের সবজির দাম আরও কমবে।

