নিউজ ডেস্ক
গত ২৭ এপ্রিল-২০২৫ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭ টার দিকে চাঁনপুর ইউনিয়নের সদাগর কান্দি গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রায়পুরায় মোশাররফ হোসেন সাগরের নেতৃত্বে মৃত রফিক মিয়ার ছেলে সবুজ, সামছু মিয়ার ছেলে খোরশেদসহ প্রায় ত্রিশ-পয়ত্রিশ জনের একটি দল দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্রসহ মৃত হোসেনের ছেলে ইউসুফকে খুজতে গিয়ে চাঁনপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও রায়পুরা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোমেন সরকারের বাড়ির মূল ফটকে বাঁশ-লাঠি দিয়ে আঘাত করতে থাকে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।
এই সময় সদাগরকান্দি চকবাজারে তাদের দূর সম্পর্কের আত্মীয় বাদলকে পেয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করলে বাদল মাথায় মারাত্মক আহত হলে লোকজন তাকে উদ্ধার করে রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়; এখন তিনি মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এছাড়াও মৃত উসমানের ছেলে সোহাগকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি দিয়ে মারাত্মকভাবে শারীরিক নির্যাতন করে; আঘাতে সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। দোকানদার আমজাদকে প্রাণনাশের হুমকি দিলে সে দোকান বন্ধ করে চলে যায়।
জানা যায়, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি ও তার অঙ্গ-সংগঠনের নাম ভাঙ্গিয়ে নানা ধরণের অনিয়ম-অপরাধমূলক লিপ্ত রয়েছে সবুজ ও খোরশেদ।
জুড় পূর্বক টাকা আদায়, লঞ্চ ঘাটে বেশি টোল আদায় এবং নির্মিতব্য বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজে বাধাঁর প্রাচীর হয়ে দাড়াচ্ছে স্বার্থ আদায়ে এই সবুজ ও খোরশেদ।
এখানে উল্লেখ করার মত বিষয় হলো, চাঁনপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও রায়পুরা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোমেন সরকার যে বাড়িতে বসবাস করেন, সেই বাড়িটি নোয়াখালী সাইন্স এন্ড টেকনোলজি ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ও ডিন, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগের কো-অর্ডিনেটর এবং ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের সহ-প্রচার সম্পাদক ড. জাহাঙ্গীর সরকার ও একই ইউনিভার্সিটির ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. আলমগীর সরকার ও গাজীপুর মহানগর বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক নেতা মো. রোকুনুজ্জামান সরকার উজ্জ্বল মোমেন সরকারের আপন ভাই এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজর মেহেদী হাসান সরকার তাদের ভাতিজা।
সবাই যৌথ পরিবারে ই থাকেন এবং সরকারি ছুটিগুলো গ্রামের বাড়িতে ব্যায় করেন। এই বাড়িতেই তারা আক্রমণ করে। এব্যাপারে ভিকটিমের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে ওনি জানান, ‘ওনার পায়ে হাতে পিঠে এবং মাথায় আঘাত করেছে তারা। এখন রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মুমূর্ষু অবস্থায় চিকিৎসাধীন।’
ভিকটিমের ভাই আবদুল হান্নান জানান,ভাইকে মারছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীম আছে। পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানো হয়নি এখনো।
রায়পুরা থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, আমরা জেনেছি। তবে লিখিত অভিযোগ এখনো পাইনি।

