
আহসানুল হক নয়ন
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় প্রায় ১২১ টি স্থানে পশুর হাট বসেছে। এর মধ্যে জেলা সদরে রয়েছে ১১ টি হাট। প্রতিটি হাটেই দেশীয় গরুর পাশিপাশি মহিষ, ছাগলসহ পর্যাপ্ত সংখ্যক কুরবানীর পশু রয়েছে। জেলা সহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে খামারি ও পাইকাররা এসব হাটে নিয়ে আসছেন কোরবানির পশু।
তবে বিরূপ আবহাওয়ার কারনে হাটগুলো ক্রেতা সমাগম কিছুটা কম। এখনো পুরোদমে বেচা-কেনা শুরু হয়নি, তবে সামনের দিন গুলোতে বেচা-কেনা বাড়বে বলে আশা করছেন বিক্রেতারা। এখন পর্যন্ত ভারত থেকে চোরাই পথে গরু না আসায় বাজার দর ভাল পাওয়ায় যাবে বলে আশা করছেন তারা।
ক্রেতারা জানান, কুরবানীর পশুর দাম সাধ্যের মধ্যেই রয়েছে। এদিকে আজ মঙ্গলবার থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার আয়োজনে শহরের ভাদুঘর বাস টার্মিনাল এলাকায় বসেছে বৃহত্ত এই পশুর হাট। এই হাটকে ঘিরে র্যাব, পুলিশ সহ বিভিন্ন আইন শৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে কাজ করছে।
প্রাণী সম্পদ বিভাগ ও জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ক্রেতা-বিক্রেতাদের স্বার্থে নেয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। উল্লেখ্য জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা প্রায় ১ লক্ষ ৩৪ হাজার ৮২৭ টি।

