বিজয় কর রতন
মিঠামইন (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

কোরবানির পশুর চামড়া নিয়ে বিপাকে কিশোরগঞ্জের হাওরের মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। হাটে পর্যাপ্ত ক্রেতা না থাকায় লবণজাত চামড়ার দাম অর্ধেকে নেমেছে বলে অভিযোগ তাদের। হাট ইজারাদার বলছেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন প্রশাসনের নজরদারি। প্রখর রোদে তপ্ত বাতাস, সঙ্গে উৎকণ্ঠা। ছোট-বড় স্তূপে রাখা শতশত চামড়া। বিক্রির অপেক্ষায় হাওরের মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। কিন্তু দেখা নেই বহুকাঙ্খিত ক্রেতার। এমন দৃশ্য কিশোরগঞ্জ শহরে চামড়ার সবেচেয়ে বড়ো হাট বড়বাজারের মোরগমহালের। ইটনা, মিঠামইন ও অষ্ট্রগ্রামে এবার বাড়িবাড়ি গিয়ে কয়েক হাজার মৌসুমি ব্যবসায়ী কিনেছেন চামড়া।

তারা জানান, প্রতি পিস গরুর চামড়া কেনা হয়েছে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা। লবণ দেয়ার পর সে খরচ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকায়। তবে ঢাকার ব্যবসায়ীরা এখনও হাটে না আসায় ক্রেতারা যে দাম বলছেন, তাতে উঠবে না খরচের অর্ধেকও। চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের নজরদারি দাবি হাট ইজারাদারের। কিশোরগঞ্জ বড়ো বাজার চামড়ার হাটের ইজারাদার মো. আরিফুল ইসলাম আরজু বলেন, সবারই লোকসান হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা যাতে ঘুরে দাঁড়াতে পারে, সেজন্য সরকারকেই উদ্যোগ নিতে হবে। হাওরের ব্যবসায়ীরা জানান, বড়বাজারের এই হাটে প্রতি মৌসুমে কেনা-বেচা হয় চার থেকে পাঁচ কোটি টাকার চামড়া।