আবদুর রউফ আশরাফ
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরার পথে নবীগঞ্জে চলন্ত বাসে গনধর্ষনের শিকার বানিয়াচংয়ের  এক কলেজ ছাত্রী। জনতা ধাওয়া দিয়ে বাস ও ড্রাইভার সাব্বির মিয়া(২৫)কে আটক করে সেনাবাহিনীর কাছে  হস্তান্তর করেছে।এ সময় অন্য ধর্ষক লিটন(২৩) নামের এক হেলপার পালিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত১৫ জুন রোব বার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টায়।

জানা যায়, ঢাকার সায়দাবাদ হইতে সিলেটগামী একটি বাস হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রীজ কাউন্টার পর্ষন্ত টিকেট কিনে। ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বাসটি শায়েস্তাগঞ্জ আসার সময় ছাত্রীটি গাড়িতে ঘুমিয়ে যায়। ঘুম থেকে সজাগ হলে শেরপুর নামক বাসস্ট্যান্ডে নামিয়ে সিলেট – নবীগঞ্জ মা এন্টারপ্রাইজ মিনি বাস সিলেট- জ-১১-০৩৬৬  দিয়ে রওয়ানা দেয় ঐ ছাত্রী। পরে রাত সাড়ে ১০ টায় চলন্ত বাসে প্রথমে হেলপার লিটন ও পরে বাস ড্রাইভার সাব্বির তাকে জোরপূর্বক গণধর্ষণ করে।এ সময় ঐ ছাত্রীর জোর চিৎকারে এলাকাবাসী মোটরসাইকেল দিয়ে বাসের পেছনে ধাওয়া করে সালামতপুরের তিন তলাব পুকুর পাড় নামক স্থানে বাসটি থামিয়ে ড্রাইভার সাব্বিরকে আটক করে। এ সময়  হেলপার লিটন পালিয়ে যায়।  বা

নিয়াচং আর্মি ক্যাম্পের সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হারুনওর রশিদ ঘটনাস্থলে গিয়ে চালককে আটক করে নবীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করেন। আটক ড্রাইভার নবীগঞ্জের এনাতাবাদ গ্রামের ছাতির আলীর পুত্র সাব্বির মিয়া(২৫) ও পলাতক হেলপার সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার রশিদপুর গ্রামের লিটন মিয়া(২৩)। ঐ ছাত্রীর পরিবার ঢাকায় বসবাস করে আর সে  ঢাকা কলেজের একাদশ শ্রেনীর ছাত্রী।

নবীগঞ্জ থানার ওসি(তদন্ত) দুলাল মিয়া গনধর্ষণের ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান “১ জন ধর্ষককে আটক করা হয়েছে, অপর ধর্ষক পালিয়েছে”। ছাত্রীটি বানিয়াচং উপজেলা সদরের বাসিন্দা। ভিকটিমকে (ছাত্রী) উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।