নিউজ ডেস্ক

তারেক আর ইমন সহোদর, বয়স আর কত ২ ভাইয়ের ১৭-১৮ হবে। এই বয়সেই হারালো মা-বাবাকে। রেল কেড়ে নিল তাদের মা-বাবার প্রাণ। নরসিংদীর দগরিয়া রেলক্রসিং এর অব্যবস্থাপনা হারিয়ে গেল ২ টি তরতাজা প্রাণ।


দুই সহোদর মাধ্যমিকের গন্ডি পার হয়ে উচ্চ মাধ্যমিকে নরসিংদী ইন্ডিপেন্ডেন্ট কলেজে ভর্তি হয়েছেন মাত্র। ছেলেকে কলেজ হোস্টেলে দিতে মনোহরদী উপজেলার লেবুতলা ইউনিয়নের গজারিয়া হতে এসেছিলেন প্রবাসী বাবা আমিনুল ইসলাম ওরফে জজ মিয়া এবং তার স্ত্রী আকলিমা বেগম।

ছেলেকে হোস্টেলে রেখে আসার পথে বাইপাস সংযোগ সড়ক দিয়ে আাসার পথে নরসিংদীর দগরিয়া রেলক্রসিং এ  মোটরসাইকেল যোগে পার হওয়ার সময় ঢাকা হতে চট্টগ্রাম গ্রামী চট্টলা এক্সপ্রেস এ কাটা পরে প্রাণ হারান তারা ঘটনাস্থলে।
সোমবার ৩০ জুন বিকালে নরসিংদীর দগরিয়া রেলক্রসিং এ দূর্ঘটনাটি ঘটে চট্টগ্রাম গামী চট্টলা এক্সপ্রেসের সাথে অনিয়ন্ত্রিত মোটরসাইকেলের ধাক্কা লেগে তারা প্রাণ হারান।


প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসীর মতে তারা দেখেছেন ট্রেন আসছে এবং মোটরসাইকেল যোগে তারাও আসছে। তারা থামতে গিয়েও পারেননি। ট্রেনের সাথে ধাক্কা লেগে যায়। ফলে উভয়ে ই প্রাণ হারান ট্রেনের সাথে ধাক্কা খেয়ে।


তবে এখানে উল্লেখ করার বিষয় হলো, প্রাচীন রেলক্রস ও জনপদ হওয়া সত্ত্বেও এখানে রেল কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে দূর্ঘটনা রেল গেইড না থাকায়। তাদের  দাবী এখানে যেন রেল গেইড দেয়া হয়।