মোঃ শাহ আলম
মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি

হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলা আউলিয়াবাদ গ্রামের মৃত আল আমিন এর স্ত্রী দীর্ঘদিন যাবত স্বামীর সকল কিছু থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছেন দেবর আশেক মিয়া।

অসহায় বিধবা নারী তাছলিমা আক্তার মিডিয়াতে সে তার মূল ফটক প্রকাশ করে এতিম সন্তান কে সঙ্গে নিয়ে।

বিগত ২০২২ সালে তার স্বামী আল আমিন কে মাথায় আঘ্রাত করে দেবর আল আমিন।পরে উন্নত চিকিৎসা না করে এলাকার ফার্মেসীর ডাক্তার দিয়ে প্রাথমিক সেবা নেন।পরে তার স্বামী মারা যায়।

স্বামী মৃত্যুর ১মাস পর তার স্ত্রী তাছলিমা আক্তার কে মারপিট করে গুরুতরে আহত করে।
দ্রুত মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

উল্লেখীত ঘটনার পর স্বামীর সকল টাকা পয়সা ও সম্পদ সব কিছু দেবর আশেক মিয়া দখল করে নিয়েছে। কোনো কিছুতে ভাগ বা অংশ দিচ্ছে না ভাবি ও ভাতিজা কে।

গ্রামের জমি,বাড়ি,মনতলা বাজারের মার্কেট সহ সকল কিছু হতে দূরে সরিয়ে দিয়েছে দেবর আশেক মিয়া।

এসমস্ত বিষয়ে তুলে ধরের মৃত্যু আল আমিন এর স্ত্রী ও পুত্র।
মনতলা বাজারের মার্কেটের কিছু অংশ দেবর আশেক মিয়ার স্ত্রীর নামে লিখে দিয়েছে আশেক।

এমনকি মা ছেলের অভিযোগে আরো জানা যায় যে,দেবর আশেক মিয়া আঘ্রাতে মৃত্যু হয় আল আমিন মিয়ার।এছাড়াও অসংখ্য অপরাধে জড়িত আশেক মিয়া।

বিগত ২০২২ সালে দেবর আশেক মৃত্যু আল আমিন মিয়ার স্ত্রী সন্তান কে মার্কেট এর অংশ দিবে বলে বিজ্ঞ মানুষদের সামনে কথা দেন ও কাগজপত্র করা হয়।

ততকালীন সময়ে সাক্ষী ছিলেন বহরা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন,বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফরিদ মেম্বার সহ অসংখ্য গুণিজন।

বর্তমানে সে কোনো রকম অর্থ ও জমি/মার্কেট এর অংশ দিচ্ছে না।
এভাবেই বছরের পর বছর চলে যাচ্ছে কোনো রকম সহযোগিতা করছে না।চাচা আশেক মিয়া ভাবি ও ভাতিজাকে।

মৃত আল আমিন এর পুত্র সন্তান সে ভয়াবহ রোগে আক্রান্ত।চিকিৎসক বলেছেন দ্রুত সময়ে উন্নত চিকিৎসা না করলে ক্যান্সার রোগে পরিনত হতে পারে।

মৃত্যু আল আমিন মিয়ার পৈত্রিক বসতবাড়ি ও মার্কেট কোটি টাকার সম্পদ।থাকা সত্বেও আজ মৃত আল আমিন এর সন্তান উন্নত চিকিৎসার অভাবে ক্যান্সার রোগে পরিনত হয়ে মৃত্যু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।বলে জানা যায়।

উল্লেখিত বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের নিকট সুস্থ ও ন্যায় বিচারের দাবি ভুক্তভোগী মা ছেলের।উপরোক্ত বিষয়ে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক