মোঃ শাহাদাত হোসাইন
শরনখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

সুন্দরবনের সুপতি অভয়ারণ্যের খালে অবৈধভাবে মাছ ধরার সময় বনরক্ষীদের হাতে তিনটি ট্রলারসহ ১৩ জেলে আটক হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে মাছ ধরার জাল ও ৬টি ডিঙ্গি নৌকা।

আটক জেলেদের আদালতের মাধ্যমে বাগেরহাট জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের সুপতি ফরেষ্ট ষ্টেশন কর্মকর্তা ফরেষ্ট রেঞ্জার মোঃ ফয়সাল আহমেদের নেতৃত্বে বনরক্ষীরা শনিবার সন্ধ্যায় সুপতি ষ্টেশনের আওতাধীন বড়কটকা খালে নিয়মিত টহলের সময় একটি ট্রলারের জেলেদের অবৈধভাবে মাছ ধরতে দেখে এগিয়ে যায়।বনরক্ষীরা ৯ জেলেসহ একটি ট্রলার আটক করে।

এ সময় আরও ৬টি ডিঙ্গি ও মাছ ধরার জাল জব্দ করেন বনরক্ষীরা। আটক জেলেরা হচ্ছেন, শরণখোলা উপজেলার বগী গ্রামের আলাউদ্দিন পঞ্চায়েত (৩০), রেজাউল হাওলাদার (২৫) ও মোঃ রাকিব হাওলাদার (২৫); বাগেরহাটের গোপালকাঠী গ্রামের লিটন সরদার (৪৮), মিলন সরদার (৩৫) ও জলিল শেখ (৪৫); শরণখোলা উপজেলার চালিতাবুনিয়া গ্রামের জাফর হাওলাদার (৩৮) ওরবিউল ইসলাম (২৩); পিরোজপুর জেলার কালিকঠি গ্রামের জালাল হাওলাদার (৩০)। অপরদিকে, একই দিন সন্ধ্যায় বনরক্ষীরা সুপতির পোতারখাল এলাকায় টহলের সময় দুইটি ট্রলারসহ ৪ জেলেকে আটক করেন।

আটক জেলেরা হচ্ছেন, পাথরঘাটা জেলার সাহেরাবাদ গ্রামের বিজন হালদার (৩৫), শিশির হালদার (৩৫), ইসা খান (২৬) ও সাত্তার খন্দকার (৪৫)। এ সময় জব্দ করা হয়েছে মাছ ও কাকড়া।


সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের সুপতি ফরেষ্ট ষ্টেশন কর্মকর্তা ফরেষ্ট রেঞ্জার মোঃ ফয়সাল আহমেদ বলেন, আটক জেলেরা সুপতি অভয়ারণ্য কেন্দ্রের আওতাধীন খালে অবৈধভাবে মাছ ধরছিলো। আটক জেলেদের বিরুদ্ধে দুইটি পৃথক বন মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার আসামী জেলেদের শনিবার দুপুরে বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তাদের বাগেরহাট জেল হাজতে প্রেরণ করেছে।