হযরত বেল্লাল
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের চাচিয়া মীরগঞ্জ গ্রামের চা দোকানদার নাজমুল ইসলামের (৩৮) রহস্যজন মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সকালে নাজমুলের শয়ন ঘরের টুইয়ের সাথে রশি দিয়ে ফাঁসরত অবস্থার তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশ ময়না তদন্তের জন্য থানায় নিয়ে এসেছে।
পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, চায়ের দোকানের বাকী বকেয়া নিয়ে এবং ওসমান গনি (১০) নামের এক শিশুকে বৎকার করার অভিযোগে স্থানীয় একটি অসাধু মহল রোববার নাজমুলের চায়ের দোকানঘর ভাংচুর করে । সেই সাথে নাজমুলকে বেদম মারপিট করে। অসুস্থ্য অবস্থায় নাজমুল তার মামা সাবেক মেম্বর হায়দার আলীর বাড়িতে অবস্থান করছিল। শিশু ওসমান গনি পাশ্ববর্তী সোনারায় ইউনিয়নের সাইফুল ইসলামের ছেলে। সে ওই গ্রামে তার নানা মহুবর আলীর বাড়িতে থেকে পড়াশুনা করত। নাজমুল দীর্ঘদিন হতে তার মামার বাড়িতে থাকে। তিনি ওই গ্রামের মৃত মান্নান মিয়া পিয়নের ছেলে। তার দুই ছেলে ঢাকায় চাকরি করে। প্রথম স্ত্রী মারা গেছে এবং ২য় স্ত্রী নাজমুলকে তালাক দিয়েছে।
নাজমুলের বড় ছেলে রাফিক মিয়া বলেন, তার পিতা নাজমুলকে স্থানীয় অসাধু ব্যক্তিগণ মারপিট করে হত্যা করেছে। এরপর তার মরদেহ ফাঁসের মধ্যে ঝুলিয়ে রেখেছে। তিনি তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত রহস্য বের করে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
তারাপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, বিছিন্ন ঘটনা নিয়ে রোববার নাজমুলের দোকাঘর ভাংচুর এবং তাকে মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সকালে নিজ শয়ন ঘরে হতে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তদন্ত করলে প্রকৃত ঘটনা বের হয়ে আসবে।থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত ইকবাল পাশা বলেন, লাশের সুরুত রির্পোট তৈরি করে ময়না তদন্তের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এনিয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

