মোঃ শাহাদাত হোসাইন
শরনখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

কনকনে ঠান্ডা হাওয়ায় সাগরে মাছ ধরতে পারছেনা দুবলারচরের শুঁটকিকরণ জেলেরা। বায়ু তাড়িত প্রবল ঢেউয়ে সাগরে জাল ফেলতে না পেরে অনেক জেলে ফিরে আসছে আলোরকোলসহ দুবলার বিভিন্ন জেলেপল্লীতে। অপরদিকে, প্রচন্ড শীতে শরণখোলায় মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যহত হচ্ছে।

দুবলার আলোরকোলের রামপাল জেলে সমিতির সভাপতি মোতাসিম ফরাজী বলেন, গত দুই তিন দিন  ধরে প্রবল শৈত্য প্রবাহের কারণে দুবলারচরের জেলেদের স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যহত হচ্ছে। প্রচন্ড শীতে জেলেদের জবুথবু অবস্থা। বঙ্গোপসাগরে বায়ু তাড়িত প্রবল ঢেউয়ের কারণে জেলেরা সাগরে জাল ফেলতে পারছেনা। অনেক জেলে সাগর থেকে ফিরে আসছেন। মাছ ধরা বন্ধ রেখে বুধবার সকালে ১৪ টি জেলে নৌকা আলোরকোলে ফিরে এসেছে। কেউ কেউ ঠান্ডা উপেক্ষা করে মাছ ধরছেন বলে মোতাসিম ফরাজী জানান।

দুবলা ফিসারমেন গ্রুপের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, বর্তমানে দুবলারচর অঞ্চলে প্রবল ঠান্ডা বাতাস বইছে। কনকনে ঠান্ডায় সাগরে জেলেদের মাছ ধরা বিঘ্নিত হচ্ছে।শেলারচর থেকে মৎস্য ব্যবসায়ী মিঠু হাওলাদার জানান, তীব্র শীত ও ঠান্ডা বাতাসের কারণে শেলারচরের জেলেরা সাগরে নামছেনা।অপরদিকে,গত দুই তিন দিন ধরে শরণখোলার উপর দিয়ে প্রবল শৈত্য প্রবাহ প্রবাহিত হচ্ছে। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকছে। ঠান্ডার কারণে নিত্য খেটে খাওয়া দিন মজুর ও রিক্সা ভ্যান চালকরা তাদের স্বাভাবিক কাজ করতে পারছেননা। শীতের দাপটে পুরাতন গরম কাপড়ের দোকানে নিম্ন আয়ের মানুষের ভীড় বেড়েছে।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের জেলেপল্লী দুবলা ফরেষ্ট টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেষ্ট রেঞ্জার মিল্টন রায় বলেন, ঠান্ডা হাওয়া ও শীতের কারণে অনেক জেলে সাগরে মাছ ধরতে যাচ্ছেননা।

এমনকি সাগরে প্রবল ঢেউ ও ঠান্ডার ফলে তাদের স্বাভাবিক টহল কার্যক্রমও ব্যহত হচ্ছে বলে ঐ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন।