নিউজ ডেস্ক

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ৩০তম আসরে ৩৯৩ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি হয়েছে। একই সঙ্গে ২২৪ কোটি ২৬ লাখ টাকার রপ্তানি আদেশ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে আয়োজক সংস্থা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)।

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় এবার মেলায় পণ্য বিক্রি বেড়েছে ৩ দশমিক ৪২ শতাংশ।

রপ্তানি আদেশ পাওয়া আটটি দেশের মধ্যে রয়েছে সিঙ্গাপুর, হংকং ও ভারত, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান। এসব দেশে রপ্তানির জন্য অর্ডার পাওয়া পণ্যের মধ্যে বহুমুখী পাটজাত পণ্য, তাঁতবস্ত্র, ইলেকট্রনিক সামগ্রী, কসমেটিকস এবং প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য উল্লেখযোগ্য।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকালে পূর্বাচলের বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়।

আগামীতে বাণিজ্যমেলা আয়োজনের সক্ষমতা ও পরিধি বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়ার তাগিদ দিয়ে প্রধান অতিথি বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, ভবিষ্যতে কাঠামোগত পরিধি বাড়ানোর লক্ষে গণপূর্ত বিভাগের ৬ একর জমি ইপিবি’র অনুকূলে নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। প্রয়োজনে সেখানে বহুতল ভবন করা হবে বলেও জানান তিনি।

বক্তব্যের শুরুতে একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা ও চব্বিশের জুলাই-আগস্টে আত্মত্যাগ করা শহীদ ও আহত বীরদের স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখছি। আমরা বিশ্বাস করি, রাষ্ট্রের প্রতিটি ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বিদেশি বিনিয়োগের জন্য একটি সুষ্ঠু ও নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা অপরিহার্য। প্রধান উপদেষ্টার সুযোগ্য নেতৃত্বে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সেই লক্ষেই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়াই আজ দেশের জনগণের প্রধান প্রত্যাশা ও আমাদের পরম আকাঙ্ক্ষা।’