বিজয় কর রতন
মিঠামইন (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ জেলার ৬ টি সংসদীয় আসনের মধ্যে কিশোরগঞ্জ -৪( ইটনা- মিঠামইন -অষ্টগ্ৰাম ) এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন ৮ জন প্রার্থী এর মধ্যে ৬ জনই জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ সকল আসনে ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৬ জন নির্ধারিত ভোটের নূন্যতম এক- অষ্টমাংশ অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের জমা দেওয়া জামানতের টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা পড়েছে।


নির্বাচন আইন অনুযায়ী, মোট প্রদত্ত ভোটের ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয় । কিশোরগঞ্জ – ৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৮ জন । এ আসনে ভোট পড়েছে ২ লাখ ৫ হাজার ৫ । প্রদত্ত ভোটের ৫০ দশমিক ২০ শতাংশ। এই হিসাবে প্রাপ্ত ভোটের ৮ ভাগের এক ভাগ হলো

২৫ হাজার ৬২৫। এ আসনে জামানতের টাকা হারিয়েছেন ৬ জন । তাদের মধ্যে সতন্ত্র প্রার্থী কাজী রেহা কবির সিগমা। তিনি ভোট পেয়েছেন ২ হাজার ৯৭২ ভোট। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের খাইরুল ইসলাম ঠাকুর পেয়েছেন ৮ শত ৭৯ ভোট। ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের নুরুল ইসলাম পেয়েছেন ৫১৬ ভোট।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এডভোকেট বিল্লাল আহমেদ মজুমদার পেয়েছেন ২ হাজার ৪৮৭ ভোট। ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টির মোঃ জয়নাল আবেদীন পেয়েছেন ১০৫ ভোট। সতন্ত্র প্রার্থী মোঃ শাহীন রেজা চৌধুরী পেয়েছেন ২ হাজার ৫৩৭ ভোট।

এ আসনে ১ লাখ ৩২ হাজার ৪৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন বিএনপি প্রার্থী এডভোকেট ফজলুর রহমান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মোঃ রোকন রেজা শেখ পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৮১৯ ভোট।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোঃ আসলাম মোল্লা বলেন, মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার সময় প্রত্যেক প্রাণীর কাছ থেকে জামানত বাবদ ৫০ হাজার টাকা নেওয়া হয়। এসব প্রার্থী নির্দিষ্ট সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানতের টাকা আর ফেরত দেওয়া হবে না।