হযরত বেল্লাল
সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি

গাইবান্ধার সাতটি উপজেলার মধ্যে সুন্দরগঞ্জসহ পাঁচ উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের পদ শুন্য। সে কারণে জেলার মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থা এখন অভিভাবক শুণ্য হয়ে পড়েছে। আপন গতিতে চলছে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের কার্যক্রম। নতুন শিক্ষকদের বেতন ভাতা, বিএড ও উচ্চতর স্কেলের ফাইল পাঠানো নিয়ে চরম বিপাকে শিক্ষকরা। সেই সাথে মাধ্যমিক শিক্ষা স্তরের যাবতীয় কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।

জেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরগঞ্জ, সাদুল্লাপুর, পলাশবাড়ি, গোবিন্দগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও গাইবান্ধা সদর উপজেলার মধ্যে শুধুমাত্র পলাশবাড়ি ও ফুলছড়ি উপজেলায় মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রয়েছেন। দীর্ঘদিন হতে বাকী পাঁচটি উপজেলায় অবসর জনিত কারণে শিক্ষা অফিসারের পদ শুন্য রয়েছে। নতুন করে কোন অফিসার আজও যোগদান করেনি। জেলায় মোট বেসরকারি নিন্ম মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৩৮৯টি, মাদ্রাসা ২১৫টি এবং কারিগরি ২৯টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান দেখভাল করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারগণ। 

নাম প্রকাশ না করা শর্তে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেশ কয়েকজন প্রতিষ্ঠান প্রধান বলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার না থাকার কারণে এনটিআরসিএ কর্তৃক সুপারিশকৃত শিক্ষকদের বেতন ভাতা, বিএড ও উচ্চতর স্কেলের ফাইল পাঠানো নিয়ে চরম বিপাকে রয়েছেন। তাছাড়া মাধ্যমিক স্তরের প্রতিষ্ঠান সমুহের অভিযোগের তদন্ত, তত্ত্ববধানসহ বিভিন্ন প্রকার কার্যক্রম প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। জরুরী ভিত্তিত্বে শিক্ষা অফিসার একান্ত প্রয়োজন। সেই সাথে বিভিন্ন উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের কর্মচারীদের বেতন ভাতা পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থা দীর্ঘদিন অব্যাহত থাকলে  মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থা বেহাল দশায় পরিনত হবে। 

জেলা শিক্ষা অফিসার মো. আতাউর রহমান জানান, অবসর জনিত কারণে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের পদ সমুহ শুন্য রয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকবার শিক্ষা অফিসারের চাহিদা শিক্ষা অধিদপ্তরের পাঠানো হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে অল্প সময়ের মধ্যে এ সমস্যার সমাধান হবে। শিক্ষকদের বেতন-ভাতার ফাইল পাঠানো হচ্ছে । অনেক ফাইল রয়েছে, সে কারনে পাঠাতে সময় লাগছে।