
নরসিংদীর পলাশ উপজেলার রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন-সংগ্রাম, সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের কারণে আলোচনায় রয়েছেন বাহাউদ্দীন ভূইয়া মিল্টন।
স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মতে, প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও তিনি রাজপথে সক্রিয় থেকে দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং সংগঠনকে সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, এমন এক সময় ছিল যখন রাজনৈতিক চাপ ও বিভিন্ন ঝুঁকির কারণে অনেক নেতাকর্মী প্রকাশ্যে কর্মসূচিতে অংশ নিতে অনীহা দেখাতেন। সেই সময় সীমিত সংখ্যক কর্মী নিয়েও মিছিল, সমাবেশ ও দলীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নিতেন বাহাউদ্দীন ভূইয়া মিল্টন। অনেক ক্ষেত্রে ১৫ থেকে ২০ জন কর্মী নিয়েই কর্মসূচি বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছেন বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান।
স্থানীয় পর্যায়ে ছাত্ররাজনীতির সংগঠন গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও তার ভূমিকা উল্লেখযোগ্য বলে দাবি করেন সংশ্লিষ্টরা। পলাশ উপজেলা, পৌরসভা, কলেজ শাখা এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন পর্যায়ে ছাত্রদলের সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করতে তিনি নিয়মিত পরামর্শ, সমন্বয় এবং দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছিলেন বলে জানা গেছে। এতে করে ধীরে ধীরে সংগঠনটি স্থানীয় পর্যায়ে একটি সুসংগঠিত রূপ লাভ করে।
নেতাকর্মীরা জানান, রাজনৈতিক কর্মসূচি সফল করতে তিনি প্রায়ই গভীর রাত পর্যন্ত পরিকল্পনা করতেন এবং কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। আন্দোলন-সংগ্রামের সময় নেতাকর্মীদের সাহস যোগানো এবং সংগঠনের কার্যক্রম সচল রাখার ক্ষেত্রে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।
আন্দোলন-সংগ্রামের সময় একাধিকবার হামলার শিকারও হয়েছেন বাহাউদ্দীন ভূইয়া মিল্টন। একটি ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে কিছু সময় জীবন-মৃত্যুর সঙ্কটের মধ্যেও ছিলেন বলে জানা যায়। পরে চিকিৎসা শেষে আবারও রাজনৈতিক কার্যক্রমে সক্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, পলাশ উপজেলায় বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম শক্তিশালী করতে মাঠপর্যায়ে যারা কাজ করেছেন, তাদের মধ্যে বাহাউদ্দীন ভূইয়া মিল্টনের নাম প্রায়ই উঠে আসে। তার সাংগঠনিক দক্ষতা, শ্রম এবং নেতৃত্বের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে সমন্বয় তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন অনেকে।
দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পলাশ উপজেলা বিএনপিকে সুসংগঠিত করতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কর্মসূচি বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন। বিশেষ করে আন্দোলন-সংগ্রামের সময় মাঠে উপস্থিত থেকে নেতাকর্মীদের সঙ্গে থেকে কাজ করার কারণে তিনি অনেকের কাছে একজন সাহসী ও পরিশ্রমী সংগঠক হিসেবে পরিচিত।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্থানীয় রাজনীতিতে একজন নেতার অবদান মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বিভিন্ন মতামত থাকতে পারে। তারপরও মাঠপর্যায়ে সক্রিয় নেতৃত্ব, সংগঠন গঠন এবং কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিষয়গুলো স্থানীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সম্পাদক- আবদুর রহমান
০১৩০৩১১২৬৭৬
Web:https://bangladeshamar.com/ Email: doinikbangladeshamar@gmail.com
Address: F-8, KA-90,JHK WINDCEL, KURIL KAZI BARI,VATARA,DHAKA-1229.
Copyright © 2026 বাংলাদেশ আমার. All rights reserved.