বিজয় কর রতন
মিঠামইন (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জ – ৪ আসনের এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট ফজলুর রহমান বলেছেন ,জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধ কে তরান্বিত করেছিল এবং ২৭ শে মার্চ ১৯৭১ সনে কালোর ঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তৎকালীন মেজর ও পরবর্তী সময়ে বাংলার মহান নেতা মেজর জিয়াউর রহমান প্রথমে নিজের নামে ঘোষণা করেছিলেন, আই মেজর জিয়া টু হেয়ার বাই ইন্ডিপেন্ডেন্ট অফ বাংলাদেশ। এই স্বাধীনতার ঘোষণার পরে আমরা যুদ্ধে যুদ্ধে দেশ স্বাধীন করেছিলাম।

আমি ফজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সময় সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ কে যুদ্ধে নিয়ে যাওয়ার জন্য মিঠামইনে আসি । আমি বলতে চাই, এই বাংলাদেশ সৃষ্টি করেছিলাম ৫৫ বছরের বাংলাদেশে আমাদের যে স্বপ্ন ছিল সে স্বপ্ন এখন পর্যন্ত পূরন হয়নি। এখনো বাংলাদেশে গরিবের পেটে ভাত ও পরনে কাপড় নেই, শিক্ষা শেষে চাকরির নিশ্চয়তা সেটা এখনো আমরা করতে পারেনি। বিগত ৫৫ বছরে আমরা সঠিক ভাবে গনতন্ত্রের চর্চা করতে পারেনি। ৫৫ বছরে এ বাংলাদেশ যেখানে থাকার কথা ছিল পৃথিবীর বুকে পরিচিতি লাভ করতে পারেনি। এরপরেও আমরা আশাবাদী মুক্তিযোদ্ধারা এখনো বেঁচে আছে।

বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের একটি জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ১২ ই ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে এ দেশের রাষ্ট ক্ষমতার দায়িত্ব পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা বিশ্বাস করি যে কারণে বাংলার স্বাধীনতা এসেছিলো লক্ষ লক্ষ মানুষ জীবন দিয়েছিল, যার জন্য মা বোনেরা ইজ্জত দিয়েছিল সেই গনতন্ত্র দেশে আসবে পেটে ভাত পরনে কাপড় এ দেশে আসবে। এ দেশে কেহ বলতে পারবে না বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ হয় নাই । যারা বলে মুক্তিযোদ্ধ হয় নাই , তারা হলো এ দেশের আলবদর রাজাকার। এবং স্বাধীনতা বিরোধী ছিল।

যে সকল আলবদর রাজাকাররা এ দেশ কে পাকিস্তান বানাতে চায় তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি। তাদের প্রতিহত করুন। আমার দেশের ছেলেরা উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে একদিন জেনারেল হবে।যে জেনারেল কোন বাঙালি ছিল না। মেজরের উপরে কোন বাঙালি ছিল না। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার ফলে এখন জেনারেল, মেজর জেনারেল, কর্নেল, সচিব পদে বাঙালিরা চাকরি করছে । এটা মুক্তিযুদ্ধের ফসল। মিঠামইন ক্লাব মাঠে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ সকল কথা বলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস, এম আব্দুল্লাহ বিন -শফিক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায়, অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা, বিদ্যালয়ের শিক্ষক, গন্যমান্য ব্যক্তি, সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি,সহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।