নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর পূর্বাচলে অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে আজ (২৯ মার্চ) সকালে শুরু হয়েছে এশিয়া ফার্মা এক্সপো-এর ১৭তম আন্তর্জাতিক ফার্মাসিউটিক্যাল উৎপাদন বিষয়ক প্রদর্শনী।
দেশি-বিদেশি ওষুধ শিল্প সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি সরবরাহকারী ও বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই প্রদর্শনী ফার্মাসিউটিক্যাল খাতে নতুন বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সম্ভাবনার বার্তা দিচ্ছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রদর্শনীর শুভ উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল।
তিনি তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও গবেষণার মাধ্যমে এ খাতকে আরও এগিয়ে নিতে হবে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এম. এ. মুহিত এবং স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী।
এছাড়াও সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ শামিম হায়দার এবং ওয়াটসন গ্রুপ অব কোম্পানির চেয়ারম্যান জান্নাতুল হক শাপলা।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল বাতেন এবং ওয়াটসন গ্রুপ অব কোম্পানির ম্যানেজার মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন আরিফ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ফার্মাসিউটিক্যাল উৎপাদনে আধুনিক প্রযুক্তি, মান নিয়ন্ত্রণ এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ নিশ্চিত করতে এ ধরনের আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর মাধ্যমে দেশি-বিদেশি কোম্পানির মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে এবং বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প বিশ্ববাজারে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারবে।
প্রদর্শনীতে ফার্মাসিউটিক্যাল উৎপাদন যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল, প্যাকেজিং প্রযুক্তি, গবেষণা ও উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট নতুন প্রযুক্তি ও সেবাসমূহ প্রদর্শন করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট শিল্পের উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী ও পেশাজীবীদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
আয়োজকরা জানান, কয়েকদিনব্যাপী চলা এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে দেশ-বিদেশের বহু প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে। এর মাধ্যমে ফার্মাসিউটিক্যাল খাতে নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

