সম্পাদক
নিউজ ডেস্কঃ
এর আগে ১২০ দিনের জন্য এই চুক্তির মেয়াদ বেড়েছিল। বাখমুত তাদের দখলে, দাবি ইউক্রেনের।জাতিসংঘ এবং তুরস্কের মধ্যস্থতায় কৃষ্ণসাগরের চুক্তি আরো ৬০ দিনের জন্য বাড়লো। তবে ভবিষ্যতে রাশিয়া এই চুক্তি না-ও মানতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে। রাশিয়া শর্তও আরোপ করতে পারে।
গত বছর ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন আক্রমণ করেছিল রাশিয়া। কৃষ্ণসাগর কার্যত অবরুদ্ধ করা হয়েছিল। জুলাই মাসে জাতিসংঘ এবং তুরস্কের মধ্যস্থতায় কৃষ্ণসাগরের রাস্তা খোলা হয়। এই রাস্তা দিয়েই গোটা পৃথিবীর কাছে ইউক্রেনের ফসল পৌঁছায়।
নভেম্বরে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ফের তা ১২০ দিনের জন্য বাড়ানো হয়। চলতি মাসে তা শেষ হওয়ার কথা ছিল। চুক্তির মেয়াদ আরো ৬০ দিন বাড়াতে রাজি হলেও রাশিয়ার অভিযোগ, গরিব নয়, ধনী দেশগুলিকে খাদ্যশস্য পাঠাচ্ছে ইউক্রেন। কিন্তু চুক্তিতে বলা হয়েছিল, আফ্রিকার গরিব দেশগুলিকে বাঁচানোর জন্যই কৃষ্ণসাগরের রাস্তা খোলা প্রয়োজন। শুধু তা-ই নয়, রাশিয়ার অভিযোগ ইউক্রেন কৃষ্ণসাগরে ব্যবসা করলেও একাধিক নিষেধাজ্ঞার জন্য রাশিয়া তা করতে পারছে না। ফলে ভবিষ্যতে এই চুক্তি চালিয়ে যেতে হলে রাশিয়া শর্ত আরোপ করতে পারে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।
এদিকে স্পেনে লিওপার্ড টু ট্যাঙ্কের প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে ইউক্রেনের যোদ্ধাদের। চার সপ্তাহ ধরে তাদের প্রশিক্ষণ হয়েছে। স্পেন ইউক্রেনকে ছয়টি লিওপার্ড টু ট্যাঙ্ক দিয়েছে। ট্যাঙ্কের প্রশিক্ষণ নিতে ৪০ জন ইউক্রেনের সেনা এবং ১৫ জন সহকারী এই প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।
এদিকে ইউক্রেন জানিয়েছে বাখমুতে তীব্র লড়াই চলছে। কিন্তু বাখমুত এলাকাটি ইউক্রেন দখল করে রেখেছে। রাশিয়ার সেনা বাখমুত ঘিরে রেখেছে। রাশিয়া এবিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। খবরঃরয়টার্স

