ওমর ফারুক

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রাম নগরীর বন্দর থানা এলাকার ৩৮নং ওয়ার্ড আনন্দ বাজার ধুপপোল এলাকা থেকেই পরিচালিত হয় মাসুদ ও মাছুমের সব অপরাধ।সল্টগোলা ক্রসিং এলাকায় ১৫ হাজার টাকায় মিলছে অবৈধ ব্যাটারী চালিত টমটমের বৈধ রোড পারমিট নিরব ভূমিকায় সল্টগোলার টি আই সুভাষ।

চাঁদার ব্যাপারে টমটমের চালকরা
সংবাদমাধ্যমকে বলেন,ব্যাটারি চালিত টমটমের নতুন লাইনে কাউকে আসতে হলে কমিটিকে ১৫ হাজার টাকা চাঁদা দিতে হবে,টাকা দিলেই আপনি রোড পারমিট পাবেন।১৫হাজার টাকা চাঁদা ছাড়া নতুন লাইনে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবে না।বর্তমানে কমিটি পরিচালনা করছেন ড.মাসুদও মাছুম।১৫ হাজার টাকা বুঝিয়ে দেওয়ার পরে আপনি আপনার ব্যাটারি চালিত টমটম নতুন লাইনে ঢুকাতে পারবেন।টাকা দিলেই মিলছে বৈধ রোড পারমিট।সল্টগোলা ক্রসিং এর মুখ থেকে টেকের মোড় এলাকায় এসব অবৈধ ব্যাটারি চালিত টমটম চলাচল করছে।বর্তমানে এই লাইনে ৬০থেকে ৬৫টি অবৈধ ব্যাটারি চালিত টমটম রয়েছে,প্রতিটি গাড়ী থেকে চাঁদা বাবদ নেওয়া হচ্ছে ১৫০ টাকা।

এছাড়া মাসিক রয়েছে (৩০০ তিনশত) টাকা।এসব টাকা চলে যাচ্ছে মাসুদ ও মাছুমদের মত কিছু পাতি নেতাদের পকেটে।এইসব টাকা কোন সেবা মুলক কাজে ব্যবহার হচ্ছে না।আমাদের একটি গাড়ী এক্সিডেন্ট হলে সেক্ষেত্রে কমিটি কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন না।প্রতিমাসে চাঁদার টাকা পরিশোধ করেই যাচ্ছি তবে কোন সেবা পাচ্ছি না বলে অভিযোগ করেন ব্যাটারি চালিত টমটমের চালকরা।

চাঁদাবাজির ব্যাপারে এলাকাবাসীরা বলেন,সল্টগোলা ক্রসিং এলাকার এই রাস্তাটি ছোট হওয়ার কারণে সাধারণ মানুষ চলাফেরা করতে বেশি সমস্যার ভিতরে পড়তে হচ্ছে।এর ভিতরে অবৈধ ব্যাটারি চালিত টমটম গুলো পুড়া রাস্তাটি দখল করে যানযট সৃষ্টি করেছে,এসব অবৈধ ব্যাটারি চালিত টমটম হাইকোর্ট থেকে নিষিদ্ধ ঘোষণা দেওয়ার পরে ও এসব অবৈধ ব্যাটারি চালিত টমটম চলছে এলাকার বড়ভাই বন্দর থানা পুলিশ।ট্রাফিক বিভাগের টি আই এর ইশরায়।তিনি আরো বলেন, মাসুদ ও মাছুম এর বিরুদ্ধে বিগত আগেও বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরে ও পুলিশ প্রশাসনের ধরা ছোঁয়ার বাহিরে রয়েছে এরা।যেকোন মুহুর্তে যেকোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।এসব দুর্ঘটনা এড়াতে অবৈধ ব্যাটারি চালিত টমটম গুলো বন্ধ করে দেওয়া হলে সাধারণ মানুষ চলাফেরা করতে সুবিধা হবে।অবৈধ ব্যাটারি চালিত টমটম থেকে প্রতিমাসে ট্রাফিক বিভাগের সল্টগোলা ক্রসিং এর টি আই সুভাষকে ম্যানেজ করছেন বলে জানান এলাকাবাসীরা।

চাঁদাবাজির ব্যাপারে টমটম মাসুদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি নিজের পরিচয় গোপন রেখে টমটমের মাসুদ এর ছোট ভাই সেজে বলেন,বড়ভাই তো নেই।বড়ভাই আসলে আপনাকে কল দিতে বলব। তবে মাছুম এর মুঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ও তার মুঠোফোনে তাকে পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় গোপন সূত্রে আরো জানা গেছে মাসুদ ও মাছুমকে ১৫ হাজার টাকা দিয়ে অবৈধ টমটম সল্টগোলা ক্রসিং মোড় থেকে ধুপপোল পর্যন্ত চলে দুটি নির্দিষ্ট সময়ে। যখন ট্রাফিক পুলিশের আনাগোনা কমে যায়। বিশেষ করে সকাল ৬টা থেকে রাত ৮টা ও রাত ১০টা থেকে ১২টা। ওই সময়ে টমটম চালালেও মাসুদকে ও মাছুমকে দিতে হয় চাঁদা। না দিলেই শুরু হয় গাড়ি আটকে রেখে গুণ্ডামি।প্রায় সময় দেখা যায় রাতে টমটম ধরতে মাসুদ ও মাছুমের ছেলেদের টহল,তারা প্রকাশ্যেই চাঁদা আদায় করে।কোনো চালক চাঁদা দিতে না চাইলে চলে উল্টাপাল্টা মারধর। সূত্রে আরো জানা গেছে যে।খুব সকালে আর রাতে টমটম নিয়ে বের হই। কিন্তু পুলিশের চোখ ফাঁকি দিলেও ফাঁকি দেওয়া যায় না মাসুদ ও মাছুমের চোঁখ। সংকেত দিয়ে গাড়ি থামিয়ে শুরু হয় চাঁদার জন্য চাঁপাচাঁপি। চাঁদা না দিলে গাড়ি আটকে রাখে মাঝেমধ্যে মারধরও করে সেজন্য ভয়ে চাঁদা দিয়ে আসছি।ট্রাফিক বন্দর বিভাগের নিয়মিত অভিযানে বন্ধ ব্যাটারি চালিত টমটম। এরপরও অনেক দরিদ্র চালক প্রশাসনের চোঁখ ফাঁকি দিয়ে টমটম চালান। তবে প্রশাসনের চোঁখের আড়াল হলেও চোঁখ এড়াতে যায় না মাসুদ এবং মাছুমের। গাড়ি বের করলেই তাকে দিতে হয় ১৫০ টাকা চাঁদা। চাঁদা না দিলে পিছনে লাগিয়ে দেন কিশোর গ্যাং।প্রায় ৭ দিন অনুসন্ধান করে সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে এসব তথ্য উঠে আসছে।

চাঁদা সংক্রান্ত বিষয়ে সল্টগোলার টি আই সুভাষ এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন.কেউ তো কারো মুখে হাত দিয়ে রাখতে পারে না।এরা চুরি চামারি করে এসব গাড়ী চালায় এরা অনেক জনেই অনেক কথা বলবে।এরা গলির ভিতরে এসব গাড়ী চালায় আমরা গলির ভিতরে গিয়ে কিছু করতে পারি না।মেইন রোডে আসলে আমরা গাড়ী ধরে প্রতিদিন মামলা দিয়ে ডামম্পিংকে পাঠিয়ে দিতাছি,আপনি অফিসে গিয়ে রিপোর্ট নিন কতটা বাড়ীকে আমরা মামলা দিয়েছি বলে জানান তিনি।

চাঁদা সংক্রান্ত বিষয়ে বন্দর থানার ওসি সন্জয় কুমার সিংহ এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন,টমটমের লাইনের সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই এটা ট্রাফিক বিভাগের কাজ এটা আমাদের কাজ না বলে জানান তিনি।