সম্পাদক

নিউজ ডেস্ক:

আমাদের সবারই জানতে ইচ্ছে হয় নবীজি কীভাবে খেতেন, কী পরিমাণ খেতেন, কখন কখন খেতেন। দিনে কয় বেলা। সমস্যা হচ্ছে নবীজির খাবার-দাবার নিয়ে এত বিস্তারিত বর্ণনা কোথাও নেই। তবে আরেকদিক দিয়ে চিন্তা করলে এটাই ভালাে। নবীজির খাবার-দাবারের বিস্তারিত বিবরণের বদলে আমরা পাই একটা গাইডলাইন ও সাধারণ নির্দেশনা। এই গাইডলাইন অনুসরণ করে বিশ্বের যেকোনাে প্রান্তের যেকোনাে মানুষ স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়তে পারবেন। যার বাজেট যেমন, খাবারের পছন্দ-অপছন্দ যেমন, তিনি গাইডলাইন মেনে সেভাবে খাবার-দাবার বাছাই করতে পারবেন।

হাদিসে পাওয়া খাবার তালিকা:

ভিনেগার

মশলা হিসেবে নবিজি ভিনেগার-এর কথা খুব বলেছেন। শরীর সুস্থ রাখতে অনেক কাজে লাগে ভিনেগার। সকালে খালি পেটে ১ কাপ কুসুম গরম পানিতে ১ টেবিল চামচ ভিনেগার মিশিয়ে খাওয়া পেটের জন্য ভালাে। প্রতিবার খাবারের আগে এভাবে খেলে হজম ভালাে হয়। সালাদে বা ম্যারেনেইডের সময় কিংবা অন্যান্য রান্নাতেও  ভিনেগারের দারুণ ব্যবহার হয়।

কালােজিরা

কালোজিরাকে মরণব্যাধি বাদে সব রােগের ওষুধ বলেছেন নবী (সা)। এক চিমটি কালােজিরা আপনি এক টেবিল চামচ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। কিংবা খাবারে ছিটিয়ে খেতে পারেন। কালােজিরার চা-ও বানাতে পারেন চাইলে।

জলপাই তেল

নবীজি (সা) পছন্দ করতেন জলপাই তেল। গায়ে লাগাতেন। খাবারেও ব্যবহার করতেন। আমাদের খাবারের মধ্যে জলপাই তেল আমাদের হৃদপিণ্ডের জন্য সবচে ভালাে।

মধু

নবীজির পছন্দের খাবারের মধ্যে আরেকটি হলাে মধু। কালােজিরার মতাে এর মধ্যেও আছে রােগ-প্রতিষেধক। বেশি পরিমাণ বাজারি মধুর চা ১ চামচ ভালাে মধু খাওয়া যথেষ্ট।

খেজুর

কুরআন-হাদিসে একই সাথে উল্লেখ আছে খেজুরের কথা। আর আলাদা করে বলা হয়েছে আজওয়া খেজুরের কথা। যদি ওটা পান তাে আলহামদুলিল্লাহ।

এসব খাবারের বাইরেও পরিমিত খাবার আর নবীজির সঠিক নির্দেশনা অনুযায়ী খাবার গ্রহণ করলে স্বাভাবিকভাবেই সেটি হবে নবীর নির্দেশনা মেনে সুন্নাহ আদায় করা, যেটি হয়তোবা দুনিয়া ও আখেরাত, দুজাহানেই আমাদের সাফল্য অর্জন করতে কাজ করবে।