সম্পাদক

মোঃ আছাদুজ্জামান, মঠবাড়ীয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় আদালতে যৌতুক নিরোধ আইনে মামলা করে বিপাকে পড়েছে ৩ সন্তানের জননী জাহানুর (৫০) বেগম। মামলা দায়েরের পর যৌতুক লোভী স্বামী আঃ হামিদ (৫৭) শালিশ ব্যবস্থার কথা বলে বাড়িতে ডেকে স্ত্রী জাহানুর বেগমকে এলোপাতারি কূপিয়ে জখম করেছে। গত ৫ দিন ধরে গুরুতর জাহানুর বেগম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্র চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এ ঘটনায় আহত জাহানুর বেগম স্বামী হামিদ ও দু‘দেবরকে আসামী করে বুধবার (১৮অক্টোবর) রাতে থানায় লিখিত অভিযোগ দিলেও গত ৪ দিনেও থানা পুলিশ মামলা রেকর্ড করেনি। আহত সূত্রে জানা যায়,পৌর শহরের সবুজ নগর এলাকার কাঞ্চন আলী হাওলাদারের পুত্র আঃ হামিদ তার স্ত্রী তিন সন্তানের জননী জাহানুর বেগমকে যৌতুকসহ পারিবারিক বিভিন্ন তুচ্ছ বিষয় নিয়া দীর্ঘদিন ধরে শারিরিক ও মানষিক নির্যাতন করে আসছিল। এতে অতিষ্ঠ হয়ে গৃহবধূ জাহানুর স্বামীকে আসামী করে গত ১৭ অক্টোবর বিজ্ঞ মঠবাড়িয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলা করার পর ওই দিন দুপুরে জাহানুর আদালত হতে বের হবার পর ওৎ পেতে থাকা স্বামী আঃ হামিদ মিমাংসার কথা বলে বাড়িতে নিয়ে যায়।

এসময় স্বামী—স্ত্রীর কথা কাটাকাটির একপর্যায় আঃ হামিদ ও তার দু ভাই ইসমাইল ও মালেক মিলে জাহানুরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতারি কুপিয়ে জখম হয়। এসময় মাকে রক্ষা করতে এলে পিতা ও চাচার হামলায় অনার্স পড়—য়া মেয়ে মিম আক্তার (২০) আহত হয়।

মঠবাড়িয়া থানার ওসি কামরুজ্জামান তালুকদার লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন—ঘটনায় জড়িত আঃ হামিদসহ অন্যদের আটক করার জন্য বসত বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু হামিদ ও তার ভাইয়েরা গা ডাকা দেয়ায় তাদের আটক করা যায়নি। যে কারনে মামলা করতে বিলম্ব হয়। তবে এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানায়।