সম্পাদক
শাওন আহমেদ সাদ, মাধবদী (নরসিংদী) প্রতিনিধি:
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে নরসিংদী সদর-১ আসনের আওয়ামীলীগ মনোনয়ন প্রত্যাশী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপকমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য আলহাজ্ব আলী হোসেন শিশির (সিআইপি) নরসিংদী সদরের বিভিন্ন পুজামন্ডপ পরিদর্শন করেন।
গত ২২ই অক্টোবর রবিবার রাত ৮ টায় মাধবদীর আনন্দী ঋষি পাড়া শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দির, চৌদ্দপাইকা শ্রী শ্রী কৃপাময়ী রক্ষাকালী মন্দির,ছোট মাধবদী শ্রী শ্রী শীতলা দেবীর মন্দির সহ কয়েকটি মন্দির পরিদর্শন করেন তিনি। প্রতি মন্ডপে মন্ডপে তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে স্বাগত জানানো হয়,প্রিয় নেতাকে কাছে পেয়ে হিন্দু পাড়ায় আনন্দের উল্লাস ছিল চোঁখে পড়ার মতো,সকল মন্ডপেই তিনি আগত দর্শনার্থী,পুজারি সহ সবাইকে পুজার শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন,আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার অতন্দ্র প্রহরী হয়ে আপনাদের পাশে আছি, কোনো দুষ্কৃতকারীর মাধ্যমে যেন সংঘাত সৃষ্টি না হয়, সে ব্যাপারে আমরা সবসময় আছি,আপনারা শান্তিপূর্ণ ভাবে উৎযাপন করুন, যেকোনো সমস্যায় আমরা আপনাদের পাশে থাকব,আর আগামী জাতীয় নির্বাচনে যেন আওয়ামীলীগ সরকার তথা মাননীয় প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার পুনরায় ক্ষমতায় আসতে পারে সে জন্য সকলের কাছে প্রার্থনা কামনা করেন তিনি।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, মাধবদী থানা ছাত্রলীগের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাসুদ রানা,নরসিংদী চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আব্দুল মোমেন মোল্লা,শ্রমিকলীগ,স্বেচ্ছাসেবকলীগ,তাতীলীগ সহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের নের্তৃবৃন্দ।
এর আগে শুক্রবার (২০ অক্টোবর) ষষ্টীবিহিত পূজার মাধ্যমে শুরু হয়েছে ৫ দিন ব্যাপী এই উৎসব যা আগামী ২৪ অক্টোবর মঙ্গলবার দশমী বিহিত পুজার মাধ্যমে দেবীর বিসর্জন হবে। গত বারের তুলনায় এবার অতিরিক্ত নিরাপত্তা থাকায় শান্তিপুর্ণভাবেই সদরের সকল মন্ডপে চলছে শারদীয় উৎসব। আইনশৃংখলা বাহিনী পুলিশ, আনসারসহ উপজেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ নজরধারী ও নিরাপত্তা বলয় তৈরী করেছেন। আনন্দময়ীর আগমনে ধনী-গরিব আবালবৃদ্ধ সকল পুজারী ও ভক্তবৃন্দের মাঝে যেন আনন্দের কমতি নেই কোন অংশেই। বাঙ্গালী সনাতনধর্মালম্বীদের সর্ববৃহৎ উৎসব শারদীয় দুর্গাপুজার আগমনী সুর ইতিমধ্যে সকলের মাঝে বিরাজ করছে। শারদীয় এ পুজাকে কেন্দ্র করে হিন্দু ধর্মাবলম্বী সকল পুজারী ও ভক্তবৃন্দের মাঝে বিপুল আনন্দ ও উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করছে। আনন্দ ও উৎসাহ উদ্দীপনা ঘাটতি নেই বিভিন্ন সংগঠন ও সামাজিক লোকজনের মাঝেও।

