ওমর ফারুক
নুরুল কবির, সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য আ,ম,ম, মিনহাজুর রহমান বলেছেন, খেয়াল করে থাকালে দেখবেন আমাদের এমপি আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভীর চেহারা মলিন হয়ে গেছে।
তিনি এখন আর ভোটারের আসা না করে তিনি নির্বাচনের মাঠ থেকে পালিয়ে ঢাকায় ধরণা দিচ্ছেন। তিনি বলেন,নদভীর গানম্যান মামুন মিয়া হাতে অস্ত্র দিয়ে মানুষকে ভয় দেখাতেন।
নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দেওয়া পর প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। আমাদের এমপিকে এলাকায় দেখা যাচ্ছে না। কোনো লাভ নেই,প্রধানমন্ত্রীর দরজা বন্ধ হয়ে গেছে। বিদেশিদের দরজা বন্ধ হয়ে গেছে,সব দরজা বন্ধ হয়ে গেছে।
বুধবার রাতে সাতকানিয়া উপজেলার আলুরঘাট এলাকায় চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি,ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, এম এ মোতালেবের নির্বাচনী পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
আসনটিতে ঈগল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন এম এ মোতালেব। একই আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী। ডা.মিনহাজ বলেন,আমাদের এমপি (নদভী) আওয়ামী লীগের নির্বাচনী মাঠ ছেড়ে হাইকমিশনে, হাইকমিশনে, ঘুরছেন।
বিদেশিদের কাছে ধরণা দিচ্ছেন। তিনি এমনটি করছেন,তারা যেন তাকে এমপি করে দেয়। সব খেলা শেষ। আলুরঘাটের মানুষদের ভয় দেখাচ্ছেন,ভোটকেন্দ্রে না যেতে,সেটা হবে না। জনগণ ঈগল মার্কায় ভোট দিতে কেন্দ্র যাবে ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন,বাঁশি আর আগের মতো বাঁজে না,৭ তারিখ খেলা হবে।
গত ১০ বছর সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় দুর্নীতি-লুটপাট হয়েছে। এলাকায় দুর্নীতি-লুটপাট চালাতে সহযোগিতা করেছেন বেগম সাহেবা। আগামী ৭ তারিখ এই বেগম সাহেবার ও পতন হবে ইনশাআল্লাহ।

