সম্পাদক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

মোবাইলে ভয়েস-চেঞ্জিং অ্যাপ ব্যবহার করে কলেজের নারী শিক্ষকের ভয়েস রূপান্তর করে সাবেক এক কারখানা কর্মী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পেতে সহায়তা করার কথা বলে অন্তত ৭ ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছেন। নিরক্ষর ওই ব্যক্তির নাম ব্রজেশ কুশওয়াহা।রোববার ২৬ মে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, কুশওয়াহা নিরক্ষর কিন্তু জঘন্য এই অপরাধের জন্য ব্যবহার করা প্রযুক্তির বিষয়ে জ্ঞান রাখতেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সাবেক কারখানার কর্মী নারী ভয়েসে নিজেকে কলেজের শিক্ষক দাবি করে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলতেন। মূলত মধ্যপ্রদেশের সিধি জেলার উপজাতীয় কলেজ শিক্ষার্থীদের বোকা বানাতেন তিনি। তাদেরকে বিশ্বাস করাতেন বৃত্তি পেতে সহায়তা করবেন তিনি। আর এভাবে তাদের সাথে একটা সম্পর্কে জড়াতেন কুশওয়াহা।

পরে নির্ধারিত ওই শিক্ষার্থীকে একটি নির্জন এলাকায় ডেকে পাঠাতেন। আর সেখানে তার আরেক সহযোগীকে পাঠিয়ে মোটরসাইকেলযোগে শিক্ষার্থীকে তাদের বাড়িতে নিয়ে আসতেন। আর জঙ্গলের সেই বাড়িতে শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করতেন।

পুলিশ বলছে, এভাবে অন্তত সাতজন উপজাতীয় কলেজ শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করেছে কুশওয়াহা।

তদন্তে শিক্ষার্থীরা জানায়, কুশওয়াহা অপরাধের সময় হেলমেট ব্যবহার করতেন, এছাড়াও সর্বদা গ্লাভস পরতেন তিনি। যার ফলে, তাকে শনাক্ত করা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। তিনি মহারাষ্ট্রের একটি রোলিং মিলে কাজ করার সময় হাত পুড়েছিল, আর তখন থেকে তিনি গ্লাভস ব্যবহার শুরু করেন। এটাই তার কাছে যেতে সাহায্য করেছে পুলিশকে।

শনিবার তিন অভিযুক্ত সহযোগীসহ কুশওয়াহাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়াও সিধি জেলা প্রশাসন একটি বুলডোজার ব্যবহার করে তার বাড়ি ভেঙে দিয়েছে বলে জানা গেছে।