ওমর ফারুক

ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ

ধামইরহাটে জমি নিয়ে দ্বন্দ্বে প্রতিপক্ষের আঘাতে ৪ জন জখম হয়েছে। উপজেলার পোড়ানগর গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। ধামইরহাট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ভুক্তভোগী পোড়ানগর গ্রামের মোজাহার আলীর পুত্র বাবুল হোসেন জানান, গত ৭আগষ্ট অনুমান বেলা ১০টার দিকে বাড়ির পাশে জমিতে নিজে বিষ ছিটাতে গেলে একই গ্রামের মতিবুলের পুত্র শাহাদত (৩০) ও আজাহার আলীর পুত্র ওবায়দুল (৪৮) বাধা দেয় এবং বাবুলকে এলোপাথাড়ি মারপিট করে মাথায় ও শরীরে জখম করে।

বাবুল হোসেনের বোন লিলিফা বেগম ভাইকে উদ্ধারে এগিয়ে গেলে তাকেও বেধড়ক মারপিট ও শ্লীলতা হানি করে এবং হাত ভেঙে দেয়।  মারপিটের ঘটনা জানতে পেরে বাবুল হোসেনের নিকটজন তোফাজ্জল হোসেনের পুত্র মিনহাজ (১৮) ও ফজিল উদ্দিনের পুত্র ইদ্রিস আলী (৪০) ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে প্রতিপক্ষ শাহাদাত এবং ওবায়দুল ছাড়াও একই গ্রামের আজাহার আলীর পুত্র মতিবুল (৫০),, আব্দুর রহিমের পুত্র  জলিল (৫৫), আবু তালেবের পুত্র মন্টুমিয়া (৫০), মতিবুল হোসেনের স্ত্রী ফাইমা খাতুন (৪০), জুলেখা,বিউটি সহ আরও ৪/৫ জন লাঠি ও দেশি অস্ত্রে সজ্জিত ও  সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে  আজাহার আলীর হুকুমে এলোপাতাড়ি মারপিটে মিনহাজ ও ইদ্রিসের মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন অংশে জখম করে।

বাবুল হোসেনের ছেলে ওয়ালিদ এবং সাবেক ইউপি মেম্বার মিলন হোসেন স্থানীয় লোকের সহযোগিতায় মিনহাজ কে চিকিৎসার জন্য জয়পুরহাট হাসপাতালে এবং বাবুল হোসেন,  লিলিফা, ও ইদ্রিসকে  চিকিৎসার জন্য ধামইরহাট হাসপাতালে ভর্তি করান।

প্রতিপক্ষ মতিবুলের পুত্র শাহাদতের সংগে মুঠোফোনে ০১৭৩৮-৭৬৫১২০ নম্বরে যোগাযোগ করলে তিনি  বলেন, ” দ্বন্দ্ব যুক্ত জমি নিয়ে আপোষে বসবার  কথা ছিল, বৈঠকের আগেই  বাবুল হোসেন জমিতে গেলে আমার মা ইউপি মেম্বার ফাইমা খাতুন বাধা দেয়, তাতে বাবুল হোসেনের লোকজনই আমাদেরকে মারপিট করে এবং ভাংচুর করে। আমাদের পক্ষের চার-পাঁচজন লোক জখম হয়।


বাবুল হোসেন জানান,পুলিশের কর্মবিরতি থাকায় থানায় অভিযোগ দেয়া যায়নি।পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে থানায় অভিযোগ দিবো।