আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্ষমতাসীন জোটে ভাঙনের পর জানুয়ারিতে আস্থাভোট নিতে চান ওলাফ শলৎস। কিন্তু বিরোধীরা দেরি করতে চান না।প্রধান বিরোধী দল সিডিইউ-এর নেতা ফ্রিডরিখ মেরজের সঙ্গে চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎসের বৈঠক হয়েছে। শলৎস এই আলোচনা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেই আলোচনা সফল হয়নি। তারপর মেরজ জার্মানির প্রেসিডেন্ট ফ্রাংক-ভাল্টার স্টাইনমায়ারের সঙ্গে দেখা করেন। তাদের মধ্যে একঘণ্টা ধরে কথা হয়।

মনে করা হচ্ছে, স্টাইনমায়ারের সঙ্গে মেরজের আলোচনার প্রধান বিষয় ছিল দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্থা করা। আরেক বিরোধী দল এএফডি-ও অবিলম্বে নির্বাচন চেয়েছে।তবে তাদের মধ্যে কী কথা হয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিতভাবে কিছু জানা যায়নি।

প্রেসিডেন্ট স্টাইনমায়ার এফডিপি-র তিন মন্ত্রীকে ডিসচার্জ সার্টিফিকেট দিয়ে দিয়েছেন। একদিন আগেই চ্যান্সেলর শলৎস এফডিপি নেতা ও অর্থমন্ত্রী ক্রিস্টিয়ান লিন্ডনারকে বরখাস্ত করেন। তারপর এফডিপি-র দুই মন্ত্রী পদত্যাগ করেন।

পরিবহনমন্ত্রী ফলকার উইসিংকে এফডিপি-ই পূর্ণ মন্ত্রী করেছিল। তবে তিনি দল ছেড়েছেন। তাকে এখন শলৎস বিচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়েছেন।

শলৎস বুদাপেস্টে

শলৎস এখন ইউরোপীয় নেতাদের শীর্ষবৈঠকে যোগ দিতে  বুদাপেস্টে গেছেন। তার সফরসঙ্গী  ডিডাব্লিউর রাজনৈতিক সংবাদদাতা ম্যাথিই মুর জানিয়েছেন, চ্যান্সেলর শলৎসকে অনেকটাই ভারমুক্ত লাগছে। তবে এখন তার কর্তৃত্ব কতটা থাকবে, তা নিয়ে একটা বড় প্রশ্নচিহ্ন রয়েছে।

এসপিডি নেতা ওলাফ শলৎস এফডিপি নেতা লিন্ডনারকে বরখাস্ত করার পর পার্লামেন্টে আইন পাস করার গরিষ্ঠতাও হারিয়েছেন। শলৎস মার্চের শেষের দিকে নির্বাচন চাইছেন। খবর: ডিডব্লিউ