নিউজ ডেস্ক

নরসিংদীতে চাদাঁ না দেয়ায় শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে একজন বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। নরসিংদী সদর উপজেলাধীন নজরপুর ইউনিয়নের দড়িনবীপুর-বুদিয়ামারা গ্রামের আব্দুর রশিদের বড় ছেলে প্রবাসী আলতাফ হোসেন ও তার বড় ছেলে মাদ্রাসা পড়ুয়া মাওলানা রিফাতুল ইসলামকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে নজরপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান (মৃত) মফিজ উদ্দিন সরকারের ছেলে নজরপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ও নজরপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জালাল উদ্দীন সরকারের বিরুদ্ধে।

অভিযুক্ত জালাল উদ্দীন সরকার ও সরকারি বিভিন্ন দফতরে পাঠনো অভিযোগ পত্র


প্রবাসী আলতাফ হোসেন ও তার ছেলেকে দড়িনবীপুর নির্মাণাধীন রাস্তায় ডেকে নিয়ে দশলক্ষ টাকা চাদা দাবী করে এবং অনাদায়ে পুরো রাস্তাই জমির উপর দিয়ে নেয়ার হুমকি প্রদান করে। প্রবাসী আলতাফ চাদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে জালাল উদ্দীন সরকার ও তার সাথে থাকা সহযোগীরা আলতাফকে মারতে থাকে এবং পিতাকে মারতে দেখে ছেলে এগিয়ে এলে তাকেও মারতে থাকে।

বিএনপি নেতা জালাল উদ্দীন সরকার এর বিরুদ্ধে নরসিংদী মডেল থানায় করা অভিযোগ


ছেলেকে মারতে দেখে বাবা বাচাতে এগিয়ে আসতে দেখে আরো কয়েকজন মিলে বাবা ও ছেলেকে হাতে থাকা লাঠি দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে ফেলে।
পরে এলাকাবাসী চিৎকার শুনে এগিয়ে আসলে তারা তাকে ছেড়ে দেয় এবং এলাকাবাসী উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যায়। যাতে সে কোন ধরণের সহযোগিতা না পায় এই জন্য সে এবং তার পরিবারকে হুমকি দিয়ে যায়।

অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, ‘ গত ৭ মার্চ শুকবার জুমার নামাজের সময় অভিযুক্ত বিএনপি নেতা জালাল উদ্দীন সরকার তার সহযোগীদের সাথে নিয়ে নজরপুর-দড়িনবীপুরের প্রবাসী আলতাফ হোসেন ও তার ছেলে মাওলানা রিফাতুল ইসলামকে ডেকে নিয়ে তার জমির উপরে দিয়ে রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে দশলক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদেরকে শারীরিকভাবে নির্বাচন করে এবং হুমকি প্রদান করে এগুলো কারো কাছে বললে বা থানায় অভিযোগ করলে জুলাই বিপ্লবের হত্যাকান্ডের মামলাসহ নানাবিধ মামলা প্রদানের হুমকি প্রদান করে।
এব্যাপারে আহত প্রবাসী আলতাফ ও রিফাতুল ইসলাম বলেন, আমাদের এমনভাবে হুমকি-ধকমি দিয়েছে আমরা চিকিৎসা নিতে ও ভয় করছে। জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমরা এই এর বিচার চাই।