নিউজ ডেস্ক
যারা এখন নিজস্ব ভুবনকে স্বচ্ছ দেখিয়ে ছবির রাজনীতি করছে। বিভিন্ন সময়ে তোলা ছবিগুলো দিয়ে এখন একশ্রেণির পেশাদার মানুষ মামলা-মোকদ্দমার ভয় দেখিয়ে চাদাবাজি করছে সাধারণ জনতার কাছে। এই ছবির রাজনীতি বন্ধ না হলে এরাই সমাজের নর্দমায় পরিণত হবে।

নরসিংদী সদর উপজেলাধীন শিলমান্দী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোসা. সেলিনা বেগম সেলিসহ আরো কয়েকজন ব্যবসায়ীকে নিয়ে সামাজিক গণামাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে একটি চিহ্নিত মহল।

তিনি শিলমান্দী ইউনিয়ন পরিষদের ৩ পিরিয়ড সংরক্ষিত আসনে মহিলা সদস্য এবং প্যানেল চেয়ারম্যান ছিলেন। স্বৈরশাসনামলে তিনি কোন ধরণের সহযোগিতা পাননি জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি করার কারণে। যখন প্যানেল চেয়ারম্যান হতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তখনই একটি কুচক্রী মহল তার বিরুদ্ধে ছবির রাজনীতি করতে চাচ্ছে; তিনি এর তীব্র প্রতিবাদ করেন। দীর্ঘ ১৫ বছরের রাজনৈতিক জীবনে আওয়ামীলীগ ছিল ক্ষমতায়; তাদের আহুত সকল সেমিনার-অনুষ্ঠানে যেতে হয়েছে ইউপি সদস্য হওয়ার কারণে।
বারবার একটি কুচক্রী মহল রাজনৈতিক কূটকৌশলে তাকে হেয় করতে গিয়ে নানা ধরণের রাজনৈতিক অসৌজন্যমূলক আচরণ করছে; যা কখনো কাম্য নয়।

শিলমান্দী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সেলিনা বেগম সেলির বিরুদ্ধে কুচক্রী মহলের বিভিন্ন সময়ে ছবিগুলো দিয়ে এখন একশ্রেণির পেশাদার মানুষ মামলা-মোকদ্দমার ভয় দেখিয়ে চাদাবাজি করতে চাচ্ছে। তাদের হীন প্রচেষ্টার প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, আমি ১৫ বছর শিলমান্দী ইউনিয়ন পরিষদের ১.২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনে মহিলা সদস্য ছিলাম। ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য থাকাবস্থায় বিএনপির সাথে জড়িত থাকায় তেমন কোন অনুদান আনতে পারতাম না। যেহেতু পরিষদের দায়িত্বরত সবাই আওয়ামীলীগ ছিল তাই তাদের ডাকে আমাকে সবখানেই যেতে হতো।
আমি এবং আমার পরিবার পূর্বহতেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র রাজনীতির সাথে জড়িত। এটা বিএনপির নেতৃবৃন্দ পূর্ব হতেই জানেন। জুলাই বিপ্লবের পর কতিপয় স্বার্থান্বেষী পূর্বের ছবি দিয়ে রাজনীতি করতে চাচ্ছে। এই ছবি দিয়ে রাজনীতির তীব্র প্রতিবাদ করছি। যারা এর সাথে জড়িত তাদের হীন স্বার্থ আদায়ে কোন ধরণের সহযোগিতা করা হবেনা। ছবির রাজনীতি ছেড়ে দিন; চাদাবাজি ও হয়রানি বন্ধ করুন।
এছাড়া কমিটিতে নাম থাকা বিষয়ে ওনি বলেন কমিটির বিষয়ে আমি তেমন অবগত নই। কিভাবে হয়েছে এটা সেটা আমার বোধগম্য নয়।

