নিউজ ডেস্ক

এবার জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহবায়ক সারোয়ার তুষার সাবালক-বৃদ্ধদের রাজনীতি হতে অবসর নিয়ে তরুণ প্রজন্মের হাতে রাজনীতি ন্যাস্ত করে তাদের অবসরে যেতে বললেন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে।
ইতোপূর্বে তাদের রাজনৈতিক দল-তাদেরকে নাতিপুতি বা নাবালকদের দল বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।


এসময় তিনি বলেন ‘আপনারা যারা সাবালক তারাতো কিছু করতে পারলেন না। শেখ হাসিনাকেতো আপনারা তাড়াতে পারলেন না। নাবালকরাই শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশ থেকে তাড়িয়েছে। আর তাদের উপর আপনারা চড়াও হওয়ার চেষ্টা করছেন।

আর আমরা যদি নাবালকই হবো; তাহলে নাবালক নিয়ে সারাদিন কথা বলার দরকার কেন? আমরাতো না বালক; নাবালক নিয়ে এত মাথা ব্যাথা কেন আপনারা? আমরাতো না বালক! নাবালকে যে যুক্তি; যে জনপ্রিয়তা তা নিয়ে তারা ভীত। পুরো নরসিংদীতে যে দখলদারিত্ব চলছে এটা মানুষ চরমভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে; চরমভাবে ঘৃণা করেছে।

আগামী নির্বাচন যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হয় তাহলে মানুষ ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে এটার জবাব দিবে। এই কারণে তারা নাবালকদের নিয়ে অনেক চিন্তিত। তাই, আমি বলবো, নাবালকদের নিয়ে চিন্তিত না হয়ে আপনাদের যারা এই সময়টাকে বুঝতে পারছেন না তারা রাজনীতি থেকে অবসর নেন।

অনেক সাবালককে আমরা দেখতে পাচ্ছি, অনেক পৌর, অনেক বৃদ্ধকে দেখতে পাচ্ছি, তারা অনেকেই এই সময়ের রাজনীতিটা বুঝতে পারছেন না। তাদের উচিত এই সময়ের রাজনীতি এই প্রজন্মের হাতে ছেড়ে দিয়ে অবসর নেয়া।’


জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচন তারিখ বা সময় প্রধান উপদেষ্টা ই ঘোষণা করবেন। তিনি আগেই বলেছেন, ডিসেম্বর হতে জুনের মধ্যে ই নির্বাচন হবে। তিনি কথা রক্ষা করে এপ্রিলের মধ্যে নির্বাচনি রোড ম্যাপ ঘোষণা করেছেন। এখন কেউ খুশি না হলে কিছু করার নেই। কারণ, তিনি ই নির্বাচনের বৈধ কর্তৃপক্ষ।


এসময় তিনি দাবী করেন, এসময় মানুষ ডিসেম্বরে নির্বাচন চায়না। কারো মনোপুত না হলে তারা যেন গণভোটের আয়োজন করেন।


৮ জুন সোমবার সন্ধ্যায় পলাশের ভিরিন্দায় মন্দির পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। ইতোপূর্বে তিনি পলাশের চরসিন্দুর বাজারে গণসংযোগ করেন। এসময় সাথে ছিলেন জেলা সংগঠক আওলাদ হোসেন জনি,  ওমর ফারুক খান, পলাশ উপজেলা প্রতিনিধি সাইদুল ইসলাম রাকিব, জনি ভুইয়া। যুব শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক ইমতিয়াজ খান বিলাল ছাত্র নেতা তারেক খন্দকারসহ আরো অনেকে।