নিউজ ডেস্ক

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নরসিংদী-৫ আসন রায়পুরা নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ শুরু করেছেন বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী একজন সফল ব্যবসায়ী, নরসিংদী জেলা বিএনপির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক এ কে এম জাহাঙ্গীর আলম বাদল। এ আসনে এ কে এম জাহাঙ্গীর আলম বাদল সৎ যোগ্য ত্যাগী পরীক্ষিত কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে এগিয়ে রয়েছে।

জানাগেছে, মেঘনা, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র, আড়িয়াল খাঁ ও কাঁকন নদী বিধৌত দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তর উপজেলা হিসেবে পরিচিত নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলা। মেঘনা নদী বেষ্টিত চর এলাকা, পুর্বএলাকা, পশ্চিম এলাকা, উত্তর-দক্ষিন এলাকা। ২৪টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়েই গঠিত নরসিংদী-৫ রায়পুরা নির্বাচনী এলাকা । এখানে প্রায় ৭ লক্ষ লোকের বসবাস।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর এ আসনে আবারও সক্রিয় হয়েছে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা । এর মধ্যে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে এ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী এ কে এম জাহাঙ্গীর আলম বাদল দীর্ঘ দিন যাবৎ বিভিন্ন এলাকায় দলীয় সভা সমাবেশে অংশগ্রহণ করে ব্যস্ত সময় পার  করছেন।

এ আসন থেকে সক্রিয় নেতা হিসেবে ২০১৮ সালেও বিএনপির দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন। রায়পুরার ২৪টি ইউনিয়ন ১টি পৌরসভার রেলষ্টশন, হাট-বাজার, খেয়াঘাট  বিভিন্ন স্থানে এ কে এম জাহাঙ্গীর আলম বাদল স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়া ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত তারেক রহমান এর ছবি সম্ববলিত দলীয় কর্মসুচি বাস্তবায়ন করতে ব্যানার-ফেস্টুন সেঁটিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে সকল ভোটারদের কাছে দোয়া প্রার্থনা করছেন।

নরসিংদী-৫ আসন রায়পুরা পশ্চিম এলাকার আমিরগঞ্জ ইউনিয়নের কৃতি সন্তান নরসিংদী জেলা বিএনপির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক, সাবেক ছাত্রদল নেতা  এ কে এম জাহাঙ্গীর আলম বাদল। তিনি একজন বিশিষ্ট সফল ব্যবসায়ী, কেন্দ্রীয় তাঁতীদলের সভাপতি,জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক দুইবারের এমপি অন্যতম সংগঠক বীরমুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত আব্দুল আলী মৃধার আস্থাবাজন কর্মী ছিলেন।

তার নিজ ইউনিয়ন আমিরগঞ্জসহ রায়পুরায় এলাকায় বিশাল ভোট ব্যাংক রয়েছে। প্রতিটি এলাকায়  বিশাল কর্মী সমর্থক রয়েছে। তার দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত করতে সকল দ্বিধাদন্ধ ভুলে ঐক্যবন্ধভাবে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে দিন রাত অকান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

দলীয় সমর্থন আদায় করতে বিএনপির সাংগঠনিক কর্মসূচি ছাড়াও মসজিদ ,মাদ্রাসা,স্কুল,কলেজ সহ এলাকার উন্নয়ন মুলক কর্মকান্ডের পাশাপাশি সামাজিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

আওয়ামী সরকারের আমলে সকল হামলা মামলা উপেক্ষা করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতন ঘটাতে নিজের জীবন বাজি রেখে তার সমর্থকদেরকে সাথে  নিয়ে দলীয় প্রতিটি কর্মসূচী পালন করে পরিক্ষিত ত্যাগী নেতা হিসেবে কেন্দ্র, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়নসহ তৃণমুল পর্যায়ে ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে।

মামলাবাজ সরকারের আমলে  মামলা থেকে ছাড়াতে জেলাখানায় বন্ধি অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্থ নেতাকর্মীদের খোজখবর নিয়ে আর্থিকভাবে সাহায্য সহযোগিতা করে তাদের পাশি দাড়িয়ে ভাল মানবিক নেতা হিসেবে সর্ব মহলে স্থান দখল করে নিয়েছেন তিনি।

বিগত দিনে সংগঠন পরিচালনাসহ দলীয় নেতাকর্মীদের সুখে-দু:খে পাশে থেকে এলাকার সামাজিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহন করে সব সময় সাহায্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। পোষ্টার,ব্যানার বিলবোর্ড এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার প্রচারণায় তার নির্বাচনী এলাকা ছাড়াও কেন্দ্র, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন তৃণমূল মাঠ পর্যায়ে সরব রয়েছেন তিনি।

দূর্নীতি অনিয়মের বিরোদ্ধে সব সময় কথা বলে প্রতিবাদী সৎ সাহসি ভাল নেতা হিসেবে সুনাম অর্জন করেছেন। শিক্ষার আলো ছড়াতে তার নিজ এলাকায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি উচ্চ বিদ্যালয় নিজ নামে প্রতিষ্ঠা করেন তিনি।

দলীয় অফিস ছাড়াও স্কুল,কলেজ,মসজিদ,মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলার জন্য অগ্রণী ভুমিকা পালন করেন তিনি। এ কে এম জাহাঙ্গীর আলম বাদল বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়ন করতে বিগত দিনে দলীয় সকল সাংগঠনিক কর্মকান্ড যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করতে  সকল বিএনপির নেতাকর্মী ঐক্যবন্ধভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

আগামী দিনে দলীয় নির্দেশনা  বাস্তবায়ন করতে  আর্থিক মানসিকভাবে প্রস্তুত আছি। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচিত হতে পারলে রায়পুরার শিল্পকারখানা নদীভাঙন রোধসহ বেড়িবাঁধ নির্মাণ, এলাকায় গ্যাস সংযোগ ও শিক্ষা ব্যবস্থা এবং সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।

তার কর্মদক্ষতা, সাংগঠনিক অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মীবান্ধব নেতৃত্ব গঠন, সামাজিক শৃঙ্খলাবোধ, দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে সুনিবিড় সম্পর্ক তার রাজনৈতিক আচরণকে তুলনামূলক আরো শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করছে।

রায়পুরার আইনশৃঙ্খলা উন্নতি ও চরাঞ্চলের মানুষের জন্য মেঘনা ব্রিজ নির্মাণ সহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি আরো বলেন, তারেক রহমানের নির্দেশে ৩১ দফা বাস্তবায়ন করতে  জেলা বিএনপির সভাপতি খাইরুল কবীর খোকন ও সেক্রেটারী আলহাজ্ব মঞ্জুর এলাহীর নেতৃত্বে এ আসন থেকে সংসদ সংদস্য পদ প্রার্থী হিসেবে আমাকে দলীয় মনোনয়ন ধানের শীষ প্রতীক দিলে সকল দ্বিধাদ্বন্ধ ভুলে গিয়ে দলীয় সকল নেতাকর্মীদেরকে সাথে নিয়ে এলাকা থেকে মারামারি, হানাহানি, মাদক, দূর্নীতি, অনিয়ম, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস নির্মূল করে বসবাস যোগ্য আধুনিক রায়পুরা গড়ে তুলার জন্য সামাজিক বন্ধন প্রতিষ্ঠা করতে প্রচেষ্টা চালাবো।