নিউজ ডেস্ক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় করা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। অপর আসামি সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন রাজসাক্ষী হওয়ায় লঘুদণ্ড হিসেবে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুন্যাল।

রায় নিয়ে প্রতিবেদন করেছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। বলা হয়, দিনটি বাংলাদেশের জন্য ঐতিহাসিক। সংবাদমাধ্যমটি হাসিনার রায়ের খবর সরাসরি সম্প্রচার করছে।

এছাড়া বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে বলা হয়, শেখ হাসিনার রায় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হতে পারে।

কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা তাদের প্রতিবেদনে লিখেছে, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গত বছর ছাত্র-নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভে তার সরকারের সহিংস দমন-পীড়নের জন্য মানবতাবিরোধী অপরাধে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গণ-বিক্ষোভ দমনের পেছনে ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে ৭৮ বছর বয়সী শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তার বিচার কাজ চলে।

এতে আরো বলা হয়, প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিচারের জন্য হাসিনার তৈরি আদালত এখন তার বিচার করছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স শিরোনাম করে, ‘শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতনের দায়ে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী হাসিনার মৃত্যুদণ্ড।’

এ রায়ের মধ্যে দিয়ে গণবিক্ষোভে মারাত্মক দমন-পীড়নের নির্দেশ দেয়ার দায়ে কয়েক মাসব্যাপী বিচারের সমাপ্ত হলো।