বিশেষ প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নির্বাচন অফিসের সাবেক কর্মচারী আশরাফ উদ্দিন (নুরুল আমিন) কে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে। দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার ও প্রশাসনিক জালিয়াতিসহ একাধিক অভিযোগ উঠেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, আশরাফ উদ্দিন সরকারি চাকরিতে থেকে আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করতেন। এই দাবি আরও জোরালো হয়ে ওঠে কয়েকটি ছবির কারণে।
দেখা গেছে—জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী র. আ. ম. উবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় তিনি সরাসরি উপস্থিত ছিলেন।



শহরের বিভিন্ন স্থানে ‘র. আ. ম. উবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরী এমপি ভক্ত যুব সংঘঠনে’ নামে তার নিজের ছবি সম্বলিত ব্যানার টাঙানো ছিল। এমপিকে ফুল প্রদান ও তাঁর জন্মদিনে কেক কাটার ছবিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে।



এসব দৃশ্যমান প্রমাণকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছে—একজন সরকারি কর্মচারী কীভাবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে এভাবে যুক্ত থাকতে পারেন?
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এসব অভিযোগ নিয়ে প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা হওয়ার পর ৫ আগস্টের পর তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে পাশের একটি জেলায় বদলি করা হয়। তবে বদলির পরও থেমে থাকেননি আশরাফ উদ্দিন। অভিযোগ রয়েছে—তিনি বিএনপির স্থানীয় ও প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করছেন, যাতে তিনি আবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নির্বাচন অফিসে ফিরতে পারেন।

