বিজয় কর রতন
কিশােরগঞ্জ-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী রেহা কবির সিগমা নিরাপত্তা চেয়ে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযােগ দাখিল করেছেন। এব্যাপারে আজ শুক্রবার বিকালে নিজ বাড়ীতে সাংবাদিকদেে ডেকে এ অভিযোগ গুলো পড়ে শুনান।
সিইসিকে দেওয়া লিখিত অভিযােগে কাজী রেহা কবির সিগমা অভিযােগ করে বলেন, ‘আসন্ন ত্রয়ােদশ সংসদ নির্বাচন পক্ষপাতমুক্ত, সুষ্ঠু ও সবার জন্য নির্বিঘ্নে করতে বর্তমান অন্তবতী সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং প্রশাসন আঙ্গীকারাদ্ধ।
কিন্তু নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ ও বাধাগ্রস্ত করার প্রক্রিয়া এরই মধ্যে শুরু হয়ে গছে কিশােরগঞ্জ-৪ সংসদীয় আসনে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে অবিলম্বে জড়িত ও দায়ীদের আইনের আওতায় এনে দূষ্টান্তমূলক শাস্তির লিখিত আবেদন করেছি।
কাজী রেহা কবির সিগমা বলেন, ‘আমি কিশােরগঞ্জ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার প্রত্যয় জানিয়ে নির্বাচনি এলাকায় গণসংযােগ শুরু করেছি। এরই মধ্যে ব্যাপক সমর্থন পয়েছি। গণসংযােগের কাজে অনেক কর্মী- সমর্থক তৎপর হয়েছে।
কিন্তু, গণসংযােগের সময় ত্রাস সৃষ্টি করে আমার কাজ দুরূহ করে তুলছে। তিনি সিইসিকে জানান, ১৬ ডিসেম্বের দিবাগত রাত ১টার দিকে তার এক নিরাপরাধ কর্মী মাে. কিয়ামত আলীকে (৫০) গ্রেফতার করে ভুয়া মামলায় কিশােরগঞ্জ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানাে হয়েছে।
এতে কর্মীদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। ফলে নির্বাচনি কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, কিয়ামতের নামে কোনাে মামলা বা অভিযাগ ছিল না। তাকে ২০২৪ সালের ৯ নভেম্বরে করা একটি মামলায় আসামি দেখানাে হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানােয়াট।
ওই মামলায় তার কর্মী কিয়ামত আলী এজাহারভুক্ত আসামিও নয়। সিগমা অবিলম্বে বিষয়টি তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের আইনানুগ শাস্তি নিশ্চিত করে আসন্ন নির্বাচন প্রশ্নাতীত ও সুষ্থু করার পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সিইসিকে অনুরােধ জানান। পরে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘পুলিশ ভীতিকর সুষ্টি করছে।
আমার কর্মী ও আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তাই ইসি ও প্রশাসনের কাছে সার্বিক সহযােগিতা চেয়েছি।পুলিশ।বার্তা

