সম্পাদক
নিউজ ডেস্ক :
রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দলটির পূর্বঘোষিত সমাবেশে নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি উঠেছে। অন্যদিকে, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে চলছে দলটির ‘শান্তি সমাবেশ৷’
সরকারের পদত্যাগ ও নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনসহ ১০ দফা এবং বিদ্যুতের দাম কমানোর দাবিতে কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি। দাবি আদায়ে আগামী ২৫ জানুয়ারি দেশব্যাপী সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি।
সমাবেশ শেষে মিছিল করবে বিএনপি। তবে জনভোগান্তি বিবেচনায় রুট সংক্ষিপ্ত করার ঘোষণা দিয়েছে দলটি। ইতিমধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা পৃথক পৃথক ব্যানার নিয়ে নয়াপল্টনের সামনের সড়কে অবস্থান নিয়েছেন। সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ফকিরাপুল থেকে নাইটিঙ্গেল মোড় পর্যন্ত দুই পাশের সড়কেই এই মিছিল হবে।
এদিকে, বিএনপির এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নয়াপল্টন ও আশপাশের এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নাইটিঙ্গেল মোড় ও ফকিরাপুল মোড়ের দিকে সাঁজোয়া যান রাখা হয়েছে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নেতিবাচক রাজনীতি করে, ধংসের রাজনীতি করে, ষড়যন্ত্রের রাজনীতি করে, মানুষ হত্যার-ভোট চুরির রাজনীতি করে, দুর্নীতির রাজনীতি করে বিএনপি অসুস্থ হয়ে গেছে, তাদের চিকিৎসা দরকার।রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।বক্তব্যে আজকের ‘শান্তি সমাবেশ’ আয়োজনের কারণও ব্যাখ্যা করেন ওবায়দুল কাদের। বলেন, ‘‘আমরা ক্ষমতায় আছি, সরকারে আছি। আমাদের দায়িত্ব দেশের মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়া। এটা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। কেউ আগুন নিয়ে সন্ত্রাস করবে, কেউ লাঠি নিয়ে খেলতে চাইবে, কেউ অশান্তি সৃষ্টি করবে, রাস্তা অবরোধ করে জনদুর্ভোগ তৈরী করবে…জনগণের জানমাল রক্ষায় আমরা জনগণের পাশে আছি।’’
‘বিশৃঙ্খলা’ ঠেকানোর জন্য সমাবেশে উপস্থিত নেতাকর্মীদের প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে কাদের বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘‘মানুষের জানমাল নিয়ে খেলবেন, আর আমরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ললিপপ খাবো? হবে না। খেলা হবে। জোর খেলা হবে, তুমুল খেলা হবে, প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক খেলা হবে। আন্দোলনে খেলা হবে, নির্বাচনে খেলা হবে। আগামী জানুয়ারিতে নির্বাচনে ফাইনাল খেলা হবে।’’

