
ওমর ফারুক
অভিযোগ উঠেছে, তাকে পরিকল্পিতভাবে আটকে রাখা হয়েছে যেন কোনোভাবেই তিনি মনোনয়নপত্র তুলতে না পারেন।
পলাশ উপজেলায় সোমবার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি সংগঠিত গোষ্ঠী ইচ্ছাকৃতভাবে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করে। খবরটি মুহূর্তের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়লে ক্ষোভে ফেটে পড়েন সাধারণ নেতাকর্মীরা।
তারা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন এবং এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান।
রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন—এটা কি শুধুই অভ্যন্তরীণ কোন্দল, নাকি গভীর কোনো রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র?
কারণ ঝোট রাজনীতির সমীকরণ অনুযায়ী নরসিংদী-২ আসনে এনসিপি নেতা সারোয়ার তুষারের প্রার্থী হওয়ার কথা ছিল। নরসিংদী-২, বিশেষ করে পলাশ উপজেলা—এনসিপি ঘোষিত ২৭ আসনের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আসন হিসেবে বিবেচিত। এই আসন ঘিরেই ঝোটের কৌশল নির্ধারিত হওয়ার কথা।
কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। ঝোটের সিদ্ধান্ত এখনো পরিষ্কার না হওয়ায় মাঠপর্যায়ে সৃষ্টি হয়েছে বিভ্রান্তি ও বিশৃঙ্খলা। অনেকের ধারণা—এই অনিশ্চয়তাকে কাজে লাগিয়েই একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে আমজাদ হোসেনের প্রার্থিতা ঠেকানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
বিক্ষুব্ধ সমর্থকদের দাবি, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে কোনো গোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে চাচ্ছে। তারা দ্রুত ঝোটের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়েছেন।
নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে নরসিংদী-২ আসনের রাজনীতি। শেষ পর্যন্ত এই আসনে কে থাকছেন—সারোয়ার তুষার নাকি আমজাদ হোসেন—সেই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বড় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
এছাড়াও নরসিংদী-৩ ঝোটের প্রার্থী মাওলানা রাকিবুল ইসলাম (রিকশা প্রতীক)কে মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে তাকে টাকার প্রলোভন দিচ্ছে জামায়াত এমন অভিযোগ করেছেন তিনি।
তাহলে রাজনৈতিক সমীকরণে কী জামাতের সেই চিরাচরিত চরিত্র বের হয়ে আসছে প্রশ্ন এখন ঝোটের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের।

