ওমর ফারুক
বার্তা সম্পাদক

রায়পুরা উপজেলা কেন্দ্রিক নরসিংদী-৫ আসনে ধানের শীষের বিজয়ে প্রবাসী নেতাকর্মীদের সক্রিয় ও সাহসী ভূমিকা এখন স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। 

বিশেষ করে মালয়েশিয়া প্রবাসী রায়পুরা উপজেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি শামীম বকুল এবং উপজেলা তারেক জিয়া সাইবার ফোর্সের সদস্য সচিব ফকির শাহ আলমের অবদানকে “অনস্বীকার্য” বলছেন দলীয় নেতাকর্মীরা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুলের পক্ষে দেশে-বিদেশে ব্যাপক সমর্থন গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তারা। দলীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে দলের দুর্দিনে প্রবাসে অবস্থান করেও সাংগঠনিক কার্যক্রম, আর্থিক সহায়তা এবং আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থেকেছেন শামীম বকুল ও ফকির শাহ আলম।

নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর ফকির শাহ আলম মালয়েশিয়া থেকে দেশে এসে সরাসরি মাঠে নামেন।

জেলা জুড়ে গণসংযোগ, সভা-সমাবেশ ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে অংশ নিয়ে নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করেন। একইভাবে শামীম বকুলও নিজস্ব অর্থ, সময় ও শ্রম ব্যয় করে নরসিংদীর পাঁচটি নির্বাচনী এলাকা, বিশেষ করে নিলক্ষা ইউনিয়নসহ বিভিন্ন অঞ্চলে প্রচারণা কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন।

দলীয় নেতারা জানান, মো: মহসীন হোসাইন বিদ্যুৎ, আলফাজ উদ্দিন মিঠু এবং নুর আহমদ চৌধুরী মানিক–এর নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে প্রবাসী নেতৃবৃন্দ সংগঠনকে শক্তিশালী করেন এবং ধানের শীষের পক্ষে জনমত সুসংহত করেন।

এছাড়াও সামিরা ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলের চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা সিদ্দিকুর রহমান, নিলক্ষা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আজগর মোল্লা, মালয়েশিয়া প্রবাসী নুর ইসলাম, মোহাম্মদ দুলাল মিয়া, মোঃ শাহ আলম মিয়া, মোঃ আলাউদ্দিন, মারফত আলী ও মোহাম্মদ রফিকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালান।প্রবাসী নেতাদের আত্মত্যাগ, আর্থিক সহায়তা এবং মাঠপর্যায়ের সক্রিয় অংশগ্রহণের ফলেই নিলক্ষা ইউনিয়নসহ রায়পুরা উপজেলায় আগের নির্বাচনের তুলনায় বিপুল ভোট অর্জন সম্ভব হয়েছে।

প্রবাসে থেকেও যারা সংগঠনের প্রতি অটল থেকেছেন—তাদের এই অবদান ভবিষ্যত রাজনীতিতে একটি উদাহরণ হয়ে থাকবে।