হযরত বেল্লাল
বাংলাদেশ জাতীয় পল্লী উন্নয়ন সমবায় ফেডারেশনের গাইবান্ধা জেলা কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আওতাধীন এ কমিটি উপ-আইনের ৩৫ ধারা অনুযায়ী এবং জেলার সকল উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি লিঃ (ইউসিসিএ)’র প্রতিনিধিদের সভার সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে গঠন করা হয়।
গত ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত সভার সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে ১৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে এ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদনের তারিখ থেকে আগামী তিন (০৩) বছর মেয়াদে এ কমিটি কার্যকর থাকবে।
অনুমোদিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন এ এস এম আনজুনুর জামান বকসী (ডিজু), সহ-সভাপতি হয়েছেন মোঃ আবু জাফর লেলিন মিয়া এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি লিঃ (ইউসিসিএ)’র সভাপতি মোঃ আবু সাইফ ইফতেখার হোসেন (পপেল)।
এছাড়া সদস্য হিসেবে রয়েছেন মোঃ সাদেকুল ইসলাম নান্নু (ফুলছড়ি), মোছাঃ লাকী বেগম (পলাশবাড়ী), মোঃ সাজেদুর সালেহীন (সাঘাটা) ও মোঃ সাইফুল ইসলাম (সাদুল্লাপুর)।
ফেডারেশন সূত্রে জানা গেছে, নবগঠিত কমিটির মূল লক্ষ্য হচ্ছে জেলা পর্যায়ে কৃষি সমবায় কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও ন্যায্যমূল্যে বিপণন নিশ্চিত করা। পাশাপাশি সমবায় সমিতিগুলোর সমন্বয়ের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করা হবে।
এছাড়াও কৃষি, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় সংশ্লিষ্ট সরকারি কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ, কৃষক সমবায়ীদের সমস্যা ও সম্ভাবনা তুলে ধরা এবং সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সুন্দরগঞ্জের কৃতি সংগঠক ইফতেখার হোসেন পপেল সাধারণ সম্পাদক হওয়ায় জেলার সমবায় কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে এবং গ্রামীণ উন্নয়নে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাবে।
নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু সাইফ ইফতেখার হোসেন (পপেল) বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয় পল্লী উন্নয়ন সমবায় ফেডারেশনের গাইবান্ধা জেলা কমিটির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব আমাকে দেওয়ায় আমি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এই দায়িত্ব আমি সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করার চেষ্টা করব।
তিনি আরও বলেন, জেলার সমবায় কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করব। কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সুযোগ বৃদ্ধি এবং সমবায়ভিত্তিক উদ্যোগকে শক্তিশালী করা হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য। বিআরডিবি ও সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কৃষক সমবায়ীদের সমস্যা ও সম্ভাবনা তুলে ধরা হবে এবং বাস্তবসম্মত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সমবায় কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা হবে।
তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গাইবান্ধা জেলার সমবায় খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।”

