সম্পাদক
স্টাফ রিপোর্টার:
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার প্রধান দায়িত্ব পালন করা প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর হোসেন এর অবৈধ সম্পত্তি আছে এমনটাই অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও ছড়িয়ে পড়েছে এমন গুঞ্জন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি ও শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমাকে নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যা ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে তা বানোয়াট মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দুর্নীতিতে আমার কোন প্রকার সংশ্লিষ্টতা নেই এবং অবৈধ কোন সম্পদ আমার নেই। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। আমি নিজের স্থান থেকে চিন্তা মুক্ত কারণ এসবের অভিযোগের কোন ভিত্তি নেই। যার জন্য আমার মানহানী হচ্ছে। আবারো জানাচ্ছি আমার অবৈধ কোন সম্পদ নেই।
এ বিষয়ে দুদক কুষ্টিয়া সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নীল কমল পাল জানান, প্রক্টর এর বিরুদ্ধে প্রচারিত অভিযোগগুলোর বক্তব্য সম্পূর্ণ মনগড়া, অভিযোগ বিষয়ে দুদকের নাম ব্যবহারে প্রচারিত বক্তব্যের বিষয়টি অজ্ঞাত। আসলে আমাদের কাছে কোন অভিযোগ আসলে এটি আমাদের বাছাই কমিটি দ্বারা ওপেন করা হয়। কোন অভিযোগ বাছাই কমিটির কোন সদস্যই ওপেন করার কোন ক্ষমতা রাখেনা। আমরা আগামী মাসে বাছাই কমিটি বসবো। তখন কমিটির সদস্যরা বসে দেখা হবে কার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ উঠেছে। প্রক্টরের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ এসেছে কি আসেনি তা আমরা শুধুমাত্র সেই দিন জানতে পারবো। তার পূর্বেই মানুষজন প্রচার করলে তা বিশ্বাসযোগ্য না। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের বিষয়ে দুদকে গচ্ছিত স্পষ্ট কোন অভিযোগ বা তথ্য জানা নেই বলে মুঠোফোনে জানিয়েছে দুদকের উপ-পরিচালক মো.শহিদুল ইসলাম।
গণমাধ্যমকর্মীদের তদন্ত সূত্রে জানা যায়, দুদক উপ-পরিচালক বরাবর প্রেরিত অভিযোগপত্রটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডায়েরীর সাথে মিল রেখে সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমানের সাথে নামের সাদৃশ্য পাওয়া গিয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত হতে মুঠোফোনে তার সাথে যোগাযোগ করলে ‘অভিযোগপত্রটি তিনি জমা দেননি ও স্বাক্ষরটি তার নয়’ এছাড়া বিষয়টি সম্পর্কে কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আব্দুস সালাম ছুটিতে থাকায় অফিসে গিয়ে তার সাথে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। এছাড়া ব্যক্তিগত মোবাইল নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়। তবে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমান বলেন “দুদকের বিষয়টা জানা নেই তবে যদি হয় তবে প্রশাসন ব্যক্তিগত বিষয়ে কী হস্তক্ষেপ করবে? যদি বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন কাজের সাথে সংশ্লিষ্টতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে তাহলে তখন ব্যবস্থা নেওয়া হবে” ।

