সম্পাদক
বিনোদন ডেস্কঃ
টিভি নাটকে অভিনয় করেই পেয়েছেন তারকাখ্যাতি। পরবর্তীতে সিনেমায় অভিনয় করেও প্রশংসিত হয়েছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা। মাঝে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ব্যস্ততা থাকায় অভিনয় থেকে দূরে ছিলেন এই অভিনেত্রী। এখন আবার ধীরে ধীরে শুটিংয়ে ফিরছেন তিনি।
সম্প্রতি ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের জীবনের ওপর কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের উপন্যাস ‘ভালোবাসা প্রীতিলতা’ অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’। আর এই ছবির প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তিশা।
বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) বিকাল ৫টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি সুফিয়া কামাল হলে যান চলচ্চিত্রটির কলাকুশলীরা। সেখানেই ছবির নানান বিষয় নিয়ে কথা বলেন তিনি।
তিশা বলেন, আমাদের কাছে কোনো প্রীতিলতার ভিডিও বা ডকুমেন্টস ছিল না, এ জন্য খুবই কষ্ট হয়েছে আমাদের। কিন্তু ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমার ডিরেক্টর সেলিনা আন্টিসহ সবাইকে, কারণ তারা আমাদের চেয়ে অনেক বেশি চেষ্টা করেছে রিচার্স করেছে। আসলে সবাই কথা বলে, বই পরে, আলোচনার মাধ্যমে ক্যারেক্টারটাকে ধারণ করতে সক্ষম হয়েছি আমরা।
অভিনেত্রী আরও বলেন, আমরা চরিত্রটির জন্য অনেকবার ফটোশুট করেছি, কয়েকটা লুক টেস্ট করার পর আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছি, যে হ্যাঁ এটাই প্রীতি লতার আসল লুক। আপনারা তো জানেন যে, পিউরিক্যাল কাজে তো কস্টিউম ইস্যু থাকে, লোকেশনের ব্যাপার রয়েছে, প্রপস ইস্যু থাকে। সব কিছু আসলে আমরা দেওয়ার চেষ্টা করেছি, বাকিটা আসলে দর্শকরা বলবে কেমন লেগেছে।
তবে এটা আসলে শুধু প্রেম ইস্যু না, একটা ২০-২১ বছরের মেয়ের সংগ্রামের গল্পটি তুলে ধরা হয়েছে।
ছবির প্রসঙ্গে মনোজ বলেন, রোমান্টিক ব্যাপার বলতে গেলে কিন্তু আমরা শুধু ছেলে-মেয়ের প্রেমের কথা বুঝি। কিন্তু প্রেম আসলে অনেক রকমের আছে। বিপ্লবও কিন্তু এক ধরণের প্রেম। এটা ছাড়া বিল্পব হয় না। প্রীতি লতা যদি বিপ্লবী হয়ে থাকেন, তাহলে তিনিও এক ধরণের প্রেমে আছেন। আর তার প্রেমটা আসলে দেশ প্রেম।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পাবে তিশা অভিনীত সিনেমা ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’। ছবিতে মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। তার বিপরীতে বিপ্লবী রামকৃষ্ণের চরিত্রে দেখা যাবে মনোজ প্রামাণিককে।

