
ওমর ফারুক
কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্যদিয়ে উঠে আসা তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বের অন্যতম পুরোধা সাবেক ভিপি নুরুলহক নুর এর নতুন রাজনৈতিক দল (নিবন্ধিত) গণ অধিকার পরিষদ সকল জেলা-উপজেলায় কমিটি পুনর্গঠন হচ্ছে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা ও সামনে সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে।



সারা দেশের ন্যায় নরসিংদীতেও এর পুনর্গঠন এর কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কমিটি পুনর্গঠনে নরসিংদী জেলা নেতৃবৃন্দ কাজ করে যাচ্ছেন; তবে অভিযোগ উঠেছে ফ্যাসিস্ট পুনর্বাসন করতে মরিয়া তারা! এবার যারা নরসিংদীতে সভাপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন তাদের মধ্যে মো. শফিকুল ইসলাম অন্যতম।
অভিযোগ উঠেছে, তিনি ২৪ এর ডামি নির্বাচনে আওয়ামিলীগের এজেন্ট হিসাবে কাজ করেছেন। তবে পটপরিবর্তনের পর তিনি এখন মনোহরদী উপজেলা গণ অধিকার পরিষদ এর সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়েছেন।
জানা যায়, এবার এমন একজনকে তারা জেলা গণঅধিকার পরিষদ এর সভাপতি নির্ধারণ করতে যাচ্ছেন; আদতে যার গণ অধিকার পরিষদে কোন ধরণের সহযোগিতামূলক কর্মকাণ্ড নেই। পাওয়া যায়না কোন ধরণের সাংগঠনিক কাজে তাকে !অভিযোগ উঠেছে ফ্যাসিস্ট আমলে তিনি রাজনৈতিক সুবিধা ভোগ করতে আওয়ামী নেতা, সাবেক শিল্পমন্ত্রীর ছেলে সাদীর হয়ে কাজ করতেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নেতা বলেন, “গণ অধিকার পরিষদ এর জ্বালানি বিষয়ক কেন্দ্রীয় নেতা সাদ্দাম হোসেন এর সুপারিশে শফিকুল ইসলামকে উপজেলা সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয়। তবে তাকে সাংগঠনিক কোন ধরণের কর্মকাণ্ডে পাওয়া যায়না। তিনি উপজেলা সভাপতি কীভাবে হয়েছেন বুঝে উঠতে পারছিনা! এখন শুনছি জেলা সভাপতির দায়িত্ব তাকে দেয়া হবে! বোধগম্য নয়; সে ফ্যাসিস্ট হওয়া সত্ত্বেও তাকে তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক দলের জেলা সভাপতি বানানোর পায়তারা চলছে। উপজেলায় আওয়ামীলীগের যেকোনো অনুষ্ঠানে শফিকুল ইসলাম সবর থাকতে দেখা গেছে।”
অনেকে বলছেন, তাকে পুনর্বাসন করা হলে তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে। আমরা তার তীব্র প্রতিবাদ করছি। এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে তাকে নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া বিদ্যমান রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তারই বড় ভাই মাসুদুল ইসলাম আওয়ামী আমলে হেলিকপ্টার প্রতীকে সতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করেছেন।
এব্যাপারে প্রতিনিধির পক্ষ হতে জেলার সাবেক সভাপতি নান্নু মিয়াকে একাধিকবার ফোন করার পরও কোন ধরণের জবাব পাওয়া যায়নি।

