
মোঃ আশিকুর রহমান
আজমিরীগঞ্জে থেকে তাদের আটক করা হয়।অনলাইন ভিত্তিক ভারতের আটকরা হলো, শরীফনগর শিলংয়ের এন্ডিং জুয়াখেলা পরিচালনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই মহুরী (টাকা সংগ্রহকারী) ও এক জুয়াড়িসহ ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আজমিরীগঞ্জ সদরের টানবাজারের শ্রীশ্রী জগন্নাথ জিউর আখড়ার সামনে একটি রেস্তোরাঁ গ্রামের বাসিন্দা কয়েছ মিয়া (৫২), সমীপুর গ্রামের বাসিন্দা রঞ্জিত রায় ওরফে মুকুল (৫৫) ও নগর গাঙ্গপাড় হাটির বাক প্রতিবন্ধী সেন্টু মিয়া (৪৮)।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার একটি চক্র অবৈধভাবে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের শিলং থেকে নিয়ন্ত্রিত অনলাইন আজমিরীগঞ্জে অনলাইন ভিত্তিক এন্ডিং জুয়াখেলা পরিচালনা করে আসছিল। বিভিন্ন সময়ে জুয়াড়িদের আস্তানায় অভিযান চালিয়ে জুয়ার সাথে জড়িতদের আটক করে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে তাদের কারাদন্ড সহ অর্থদন্ডে দন্ডিত করা হয়।
পরবর্তীতে জুয়াড়িরা জামিনে বেড়িয়ে এসে আবারো একই পেশায় যুক্ত হয়ে যায়। সম্প্রতি চক্রটি পুনরায় বিভিন্ন স্পটে গ সক্রিয় হয়ে ওঠে। এরই প্রেক্ষিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জুয়াড়িদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায়, গতকাল শনিবার বিকেলে থানার এসআই নি সালাউদ্দিন মোল্লার নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম পৌর এলাকার জুয়াড়িদের বিভিন্ন আস্তানায় অভিযান চালায়।
এক পর্যায়ে টানবাজারের শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ জিউর আখড়ার সামনে যতন রায়ের মালিকাধীন একটি রেঁস্তোরায় অভিযান চালায়। এ সময় এন্ডিং জুয়ার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত রেস্তোরাঁর পেছনের একটি কক্ষ ভ থেকে দুই মহুরী ও এক জুয়াড়িকে আটক করে পুলিশ। পরে আটকদের থানায় নিয়ে আসার হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানান, কয়েছ মিয়া পৌরসদরের আজিমনগর মুন্সিহাটীর শিলং তীর জুয়াখেলার এজেন্ট কামরুল মিয়ার মহুরী, ও মুকুল রায় শুক্রিবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা ও জুয়াখেলার এজেন্ট আল আমিনের মহুরী হিসেবে কাজ করতেন। এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম জানান, আটকদের বিরুদ্ধে পরবর্তীে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার

